শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে মৌলভীবাজারে। শরতের সুন্দর আবহাওয়ায় প্রকৃতি প্রেমিদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জেলার পর্যটন স্পটগুলো। তারা নিজেদের পছন্দের স্থান ঘুরে দেখার পাশাপাশি এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছবি তুলে তা ক্যামেরা বন্দি করে রাখছেন।
পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত রির্সোট মালিকরা জানান, গত কয়েক দিনে জেলার বাইরে থেকে প্রচুর পর্যটক এসেছেন। হোটেল-মোটেল ও রির্সোটের কক্ষগুলো শতভাগ বুকিং রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে কথা হয় নারী পর্যটক মেধার সঙ্গে। তিনি বলেন, সবুজের মাঝে এসে খুব ভালো লাগছে। আমাদের হৃদয় জুড়ে আছে মৌলভীবাজার।
মাধবপুর লেকে ঢাকা থেকে আসা আরেক পর্যটক বুরহান বলেন, ইট পাথরের শহর থেকে চায়ের রাজ্য এসে খুব ভালো লেগেছে। এখানে পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে নীল পদ্মের লেক।
কিশোরগঞ্জ থেকে প্রথমবারের মতো এসেছেন অন্তিকা ঘোষ। তিনি বলেন, আমার এক সাথে দুই কাজ হয়েছে, পূজা দেখা হলো সঙ্গে মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া, বধ্যভূমি ৭১ ও মাধবপুর লেকসহ বেশ কিছু চা বাগান দেখেছি। যত দেখি তত ভালো লাগে।
বেড়াতে আসার মুহূর্তকে স্মৃতি হিসেবে ক্যামেরা বন্দি করছেন এক দম্পতি
টাঙ্গাইল থেকে আসা পান্থ নামে এক যুবক বলেন, শ্রীমঙ্গলকে সবুজ চা বাগান ঘিরে রেখেছে। আমি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেড়াতে গেছি, তবে এখানকার মতো এমন সুন্দর দৃশ্য দেখতে পাইনি। এখানে এসে আমার খুব ভালো লেগেছে।
পর্যটন সেবা সংস্থার সাবেক সভাপতি সেলিম আহমেদ রাইজিংবিডিকে বলেন, “টানা ছুটিতে মৌলভীবাজারে যথেষ্ট পরিমাণ পর্যটক আসছেন। হোটেল-মোটেল ও রির্সোটে প্রায় শতভাগ কক্ষ বুকিং রয়েছে। এখানে বিভিন্ন উৎসবের সময় যে পরিমাণ পর্যটক আসেন, সে তুলনায় সরকারিভাবে তেমন কিছুই গড়ে ওঠেনি।”
মৌলভীবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য যৌথভাবে এসআরবি, বিজিবি, পুলিশ রাতদিন কাজ করছে। এখনো কোথাও কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি।
