ঢাকাই ও কলকাতার শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে চতুর্থীর দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় দুর্গোৎসবের বর্ণিল আয়োজন। বুধবার চতুর্থীর শুভলগ্নে পুরোহিত ডেকে ঐতিহ্যগতভাবে ঘট পুজোর মাধ্যমে এই পূজার সূচনা হয়, যার পরবর্তীতে পরিবারের সবাই মিলে জমজমাট ভোজসভায় অংশ নেন। বাকি দিনগুলোতেও যথাযথ নিয়ম ও নিষ্ঠার সঙ্গে পূজা উদযাপিত হলেও বাড়ির সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয় এই পূজার আচার-অনুষ্ঠান। মূলত প্রতিমা পূজার পরিবর্তে ঘট স্থাপনের মাধ্যমেই দেবীর আরাধনা করেন এই তারকা অভিনেত্রী।
পূজার এই বিশেষ দিনটিতে সবুজ রঙের একটি জমকালো বেনারসি শাড়ির সঙ্গে মানানসই সোনালী গয়নায় নিজেকে সাজিয়েছিলেন কৌশানি, যা তার রূপের দ্যুতিকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তার এই অপরূপ ও নজরকাড়া উপস্থিতি থেকে উপস্থিত কারোরই যেন চোখ সরছিল না। উৎসবমুখর এই আয়োজনে তার পাশেই হাসিমুখে উপস্থিত ছিলেন হবু শাশুড়ি প্রখ্যাত অভিনেত্রী পিয়া সেনগুপ্ত এবং হবু স্বামী বনি সেনগুপ্ত।
হবু পুত্রবধূর সৌন্দর্যের প্রশংসা করে পিয়া সেনগুপ্ত গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অকপটে জানান যে ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে সুন্দরীতমা নারী হলেন কৌশানি, যদিও এই মন্তব্যের জন্য তাকে পরবর্তীতে ট্রোলের মুখোমুখি হতে হতে পারে। তবে তিনি সত্য বলতেই পছন্দ করেন বলে জানান। পিয়ার এই সাহসী ও প্রশংসাসূচক বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে বনি সেনগুপ্তও যোগ করেন যে কেউ তাকে ট্রোল করবে না কারণ এটি সম্পূর্ণ সত্যি কথা।
হবু স্ত্রীর প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত হয়ে বনি আরও মন্তব্য করেন যে কৌশানিকে দেবী দুর্গার থেকেও বেশি সুন্দর লাগছে এবং তাকে বরাবরই মিষ্টি লাগলেও আজকের সাজে যেন তার রূপের পূর্ণতা পেয়েছে। হাসিমুখের এই আড্ডার মাঝেই বনিকে একপর্যায়ে মজার ছলে কৌশানির শাড়ির আঁচল ধরে ঘুরে বেড়াতেও দেখা যায়, যা উপস্থিত সকলের মনে আনন্দের খোরাক জোগায়।
চলতি বছরের দুর্গাপুজাটি কৌশানির ক্যারিয়ারে একটি বিশেষ মাইলফলক হয়ে উঠেছে, কারণ এই উৎসবের মৌসুমেই মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র 'বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু'। এই সিনেমায় দর্শক আবারও কৌশানি ও শিবপ্রসাদের অনবদ্য রসায়ন উপভোগ করছেন। পরিচালক শিবপ্রসাদ আগেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন যে এই ছবির পরবর্তী পর্বে দর্শকরা কৌশানিকে সম্পূর্ণ এক নতুন ও ভিন্ন রূপে আবিষ্কার করবেন।
