ছবির ক্যাপশন: .
>> এবি এম জিয়াউল হক টিটু
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় এক কিশোরী কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে তরুনীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার মোক্তারেরচর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করে আজ আদালতে প্রেরন করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত অপর ২ আসামী পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন কালকিনি থানার পূর্ব চর কয়রিয়া এলাকার জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে জাহিদ হাওলাদার (২৫) ও নড়িয়া উপজেলার মুলপাড়া গ্রামের রিপন আকন এর ছেলে শাওন আকন (২৫)। পলাতক অপর আসামীরা হলেন নড়িয়া উপজেলার পাচুখার কান্দি গ্রামের দুলাল বেপারীর ছেলে সোহেল বেপারী (২২) ও মুলপাড়া গ্রামের ইউনুছ শেখ এর ছেলে ইমন শেখ (২৪)।
সোমবার সন্ধায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭-ফেব্রুয়ারি মুলফৎ গঞ্জ মাজার এলাকা থেকে ভুক্তভোগী তরুনীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিক জাহিদ হাওলাদার তার বন্ধু ইমন শেখের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ইমন শেখ এর আম্মু ভুক্তভোগীকে বাড়িতে পৌছে দেয়ার জন্য তার ছেলেকে নির্দেশ দেয়। এসময় এমন শেখের বাবা ইনুছ শেখ বাড়ি এলে ভুক্তভোগীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী ইমন শেখের বাড়ির পাশে একটি ভুট্টা ক্ষেতে লুকিয়ে থাকে।
এসময় প্রেমিক জাহিদসহ তার সঙ্গে থাকা আরও তিন বন্ধু ভুক্তভোগীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে একটি ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে তালা মেরে রাখে। পরে ইমনদের বাড়ির ম্যানেজারের সহোযোগিতায় সেখান থেকে বের হয়ে বাড়িতে চলে আসে। এর পর নড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
এ বিষয় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল টেস্ট এর জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ আসলাম উদ্দিন মোল্লা বলেন বিয়ের প্রোলোভনে ৪ জন মিলে গণ ধর্ষনের অভিযোগ পেয়েছি আজ , অভিযোগ পাওয়া মাত্রই অভিযান চালিয়ে ২ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে । বাকিদের গ্রেফতার অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
