Published on
:
2 min read
হুগলি জেলা প্রাথমিক স্কুল সংসদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আরামবাগের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক মধুসূদন বাগ। বুধবার দায়িত্ব বুঝে নিলেন তিনি। দায়িত্ব নিয়েই নিজের ফোন নম্বর দিয়ে মধুসূদন বাগের বার্তা, ‘আমার কোনও এজেন্ট নেই, কোনও দালাল নেই।’
এর আগে এই পদে ছিলেন তৃণমূলের শিল্পা নন্দী। হুগলি জেলা প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শক স্বপন গিরি মধুসূদন বাগকে চেয়াম্যানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন এ দিন। ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল (DPSC) ভবনে এসে প্রণাম করে চেয়ারে বসেন মধুসূদন।
এক নজরে
নতুন চেয়ারম্যান: বুধবার হুগলি জেলা প্রাথমিক স্কুল সংসদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলেন আরামবাগের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক মধুসূদন বাগ।
‘আমার কোনও এজেন্ট নেই’: দায়িত্ব নিয়েই নিজের ফোন নম্বর দিয়ে মধ্যস্থতাকারী বা দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর বিরুদ্ধে বার্তা দেন তিনি।
আগের চেয়ারম্যান: এই পদে আগে ছিলেন তৃণমূলের শিল্পা নন্দী। জেলা প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শক স্বপন গিরি নতুন চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।
নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ: হুগলি জেলা প্রাথমিক স্কুল সংসদকে ঘিরে টেট দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মামলায় জেলার দুই যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুন্তল ঘোষ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজনীতিমুক্ত করার বার্তা: গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত দিগর বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতি থাকা উচিত নয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিমুক্ত করাই তাঁর লক্ষ্য।
হুগলি জেলা প্রাথমিক স্কুল সংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, টেটে দুর্নীতির। এই জেলারই দুই যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুন্তল ঘোষ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মামলায়।
মধুসূদন বাগ বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে টেটে যে দুর্নীতি হয়েছে, তা নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তবে ফড়ে, দালাল, মিডলম্যানদের আমি বিশ্বাস করি না। সরকারি যা কিছু সুযোগ সুবিধা আছে, তার দপ্তরও আছে। আমি ফোন নম্বর দিয়ে দিচ্ছি, সেখানে হোয়াটসঅ্যাপ করুন। সবার সব কথাই শোনা হবে। আমি হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা নই। আমার পিছনে ছুটলে সব সুযোগ সুবিধা পাবেন, আর না ছুটলে পাবেন না, সেটায় আমি বিশ্বাস করি না। যার যা ন্যায্য পাওনা, তা পাবেনই।’
এ দিন মধুসূদন বাগের সঙ্গে ছিলেন গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত দিগর। তিনি বলেন, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে কোনও রাজনীতি থাকবে না। স্কুলে গিয়ে রাজনীতি হয় না। আমার লক্ষ্যই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজনীতিমুক্ত করা।’