Published on
:
1 min read
পতৌদি পরিবারের সব সদস্যের জীবন সম্পর্কে মানুষ জানলেও, অনেকেরই প্রশ্ন, শর্মিলা ঠাকুর ও মনসুর আলি খান পতৌদির কন্যা এবং সইফ আলি খানের বোন সাবা কেন চলচ্চিত্র ও প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকেন? তবে অনেকেই জানেন না, তিনি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। পতৌদি পরিবারের ১,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ঐতিহ্য পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে সাবার কাঁধে।
এই দায়িত্বটি তাঁকে অর্পণ করেছিলেন তাঁর বাবা, বিখ্যাত ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদি। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে সাবা তাঁর পরিবারের ঐতিহ্য, ভোপালে তাঁর কাজ এবং বাবার কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা নিয়েও কথা বলতে গিয়ে নিজের কাজের জগতের কথা তুলে ধরেন।
সাবা জানান, তাঁর বাবা চেয়েছিলেন তিনি যেন পারিবারিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যান। বাবার কাছ থেকে ভোপাল এবং তাঁর আশপাশের এলাকা সম্পর্কেও অনেক কিছু শিখেছেন। তিনি এখনও তাঁর বাবার কথা ও শিক্ষা মেনে চলেন। বাবার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের নানা মুহূর্ত স্মরণ করে সাবা বলেন, ‘আধ্যাত্মিক ভাবে আমি তাঁর সঙ্গে আমার নিজস্ব ভঙ্গিতে কথা বলতাম। তিনিই ছিলেন আমার সব কিছু। ভোপালের জায়গা এবং আমার কাজ সম্পর্কে যা কিছু জানা প্রয়োজন ছিল, তার সবকিছুই তিনি আমায় শিখিয়েছেন। তিনি আমার হাতে এমন এক ঐতিহ্য তুলে দিয়েছেন যা আমায় এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
তিনি আরও জানান, তাঁর বাবা মনসুর আলি খান পতৌদি তাঁকে সবসময় ন্যায়পরায়ণ হতে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং কঠিন পরিস্থিতিতে মেজাজ না হারাতে শিখিয়েছিলেন। সাবা বলেন, তাঁর বাবা বিশ্বাস করতেন যে রাগ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। বরং, মাথা ঠান্ডা রেখে নিজের মতামত প্রকাশ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।