চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ তথ্য সংগ্রহ করছেন নিয়োজিত কর্মীরা।
এ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস কনফারেন্সে কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সরকারের এ উদ্যোগের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট কার্যক্রম ২০২৬ সালের ১০ মার্চ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। জুন পর্যন্ত দেশের আট বিভাগের ৪৪ জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে ৭১ হাজার ৮৩১ জনকে যোগ্য উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করে কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।
পাইলট কার্যক্রমে বরাদ্দ ছিল ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ভাতা হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।
প্রেস কনফারেন্সে আরও জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা হিসেবে বরাদ্দ। কর্মসূচি বাস্তবায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। এ পদ্ধতিতে পরিবারগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে—অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম হলে নারী পরিবারপ্রধান ভাতা পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। তবে ভাতা পাবেন প্রথম তিন শ্রেণিভুক্ত পরিবারের নারীপ্রধানেরা।
তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইসে যুক্ত করা হবে।
ডিসেম্বরের মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) সুবিধা থাকবে। এটি সরকারের টাকাপের পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকবে।
