শিল্প আর উন্মাদনার মধ্যর সীমান্তরেখাটা ঠিক কতটা সূক্ষ্ম? আতঙ্ক যখন আসক্তিতে রূপ নেয়, তখন তা একজন শিল্পীকে কতদূর ঠেলে দিতে পারে? এমনই এক মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন আর অন্ধকারের গল্প নিয়ে আসছে প্রযোজনা সংস্থা ‘সোনম মুভিজ’-এর নতুন ছবি। সানি রায়-এর পরিচালনায় এই মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারটি সাহিত্য, মানসিক টানাপোড়েন এবং ক্রাইমের এক নতুন ককটেল হতে চলেছে বলেই দাবি নির্মাতাদের।
সানি রায় পরিচালিত এ ছবির গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু অগ্নিভ বসু— মানসিক অশান্তি এবং অতীতের গভীর ট্রমার সঙ্গে লড়াই করতে থাকা এক ব্যর্থ ঔপন্যাসিক। পরপর তিনটি উপন্যাস ফ্লপ হওয়ার পর নিজের হারিয়ে যাওয়া সৃষ্টিশীলতা ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে সে। জীবনের এই কঠিন অধ্যায়ে দাঁড়িয়েই তার পরিচয় হয় তৌফিক আসিফ-এর সঙ্গে। আর এই তৌফিক কোনও সাধারণ অপরাধী নয়, সে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শবদেহ ধর্ষণকারী সিরিয়াল কিলার। জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি তৌফিকের মনস্তত্ত্ব ও তার জীবনের হাড়হিম করা অধ্যায়গুলোর মধ্যেই অগ্নিভ খুঁজে পেতে চায় তার জীবনের ‘মাস্টারপিস’ বা শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের রসদ।
কিন্তু এক সিরিয়াল কিলারের গাড় অন্ধকারের সঙ্গে এই বিপজ্জনক ককটেল কি সত্যিই অগ্নিভকে এনে দেবে তার কাঙ্ক্ষিত সাফল্য? না কি সে নিজেই হারিয়ে যাবে সেই অন্ধকারের অতল গহ্বরে? অন্যদিকে, এই জটিল পরিস্থিতিতে অগ্নিভের প্রকাশক ও সহযোগী রুক্মিণী-র সঙ্গে তার সম্পর্ক কোন মোড় নেয়—তা নিয়েই এগোবে ছবির মনস্তাত্ত্বিক গতিপথ। ছবিতে রয়েছেন সৌরভ দাস, সুমনা দাস, যুধাজিৎ সরকার, রানা বসু ঠাকুর, জিনা তরফদার, পলাশ হক এবং বিমল গিরি-র মতোঅভিনেতা -অভিনেত্রীরা।
https://www.youtube.com/watch?v=vZCv49OXTLI&t=423s
নির্মাতাদের দাবি, বাংলা বিনোদন জগতে এমন ডার্ক থ্রিলার ও সাইকোলজিক্যাল ড্রামার মেলবন্ধন বেশ বিরল। রহস্য, রোমাঞ্চ এবং মানুষের মনের অন্ধকার দিকগুলোকে যেভাবে সোনম মুভিজ প্রযোজিত এই ছবি তুলে ধরা হয়েছে, তা সিনেমা প্রেমীদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে বলেই আশা করা যাচ্ছে।
