Published on
:
2 min read
সঞ্জয় দে, দুর্গাপুর
মহাভারত ও পুরাণ মতে, শ্রীকৃষ্ণের তিরোধানের পরে দ্বারকা নগরী সমুদ্রের নীচে তলিয়ে গিয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণের সেই দ্বারকা দেখা যাবে এ বার শঙ্করপুরে।
গুজরাটে এখনও রয়েছে দ্বারকা জেলা। মহাকাব্যের সেই দ্বারকা নগরীর আদলে পুজোর মণ্ডপ তৈরি করছে শঙ্করপুর সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি। এ বার ২৭ বছরে পা রাখছে এই কমিটির পুজো। এ বারের পুজোর থিম ‘দ্বারকা নগরী’।
তবে আয়োজকরা ভেঙে পড়েছেন,এমন এক মণ্ডপ রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উদ্বোধন করবেন না–বলে। আগে ঠিক ছিল, মুখ্যমন্ত্রী এখানে আসবেন, তবে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে তা বাতিল হচ্ছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। যদিও আয়োজকরা মনে করছেন, পুজোর সময়ে তাঁদের মণ্ডপ বাকিদের অনায়াসে টেক্কা দেবে।
দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে ইতিমধ্যে জোরকদমে চলছে মণ্ডপ তৈরির কাজ। গত কয়েক বছর ধরে শঙ্করপুরের পুজো দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল নামছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এই বছরেও তার ব্যতিক্রম হবে না। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ভিড়ে ঠাসা থাকবে মণ্ডপ। বাঁশের কাঠামো। তার উপরে কাঠের বাটাম দিয়ে তৈরি ফ্রেম। সেই ফ্রেমের উপরে ফাইবার গ্লাসের নানা ধরনের কারুকার্যের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে দ্বারকা নগরী।
পুজো কমিটির সেক্রেটারি গণেশ যাদব বলছিলেন, ‘গত বছর দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপ দেখতে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হয়েছিল আমাদের মণ্ডপে। এ বার দ্বারকা নগরী দেখতেও প্রচুর মানুষের ভিড় হবে। চুড়ান্ত ব্যবস্তার মধ্যে মণ্ডপের শেষ পর্বের কাজ চলছে। মণ্ডপের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে এ বার আলোকসজ্জাও দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে।’
গত বছর বৃষ্টি উপেক্ষা করেও দর্শনার্থীরা ভিড় জমিয়েছিলেন এই মণ্ডপের সাজসজ্জা এবং প্রতিমা দেখতে। সমস্যা হয়েছিল, সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের কোড়ও জায়গা ছিল না। ফলে অনেকেই প্রতিমা দেখতে এসেও তা না–দেখে ফিরে যান। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বার শঙ্করপুর পুজো কমিটি গাড়ি রাখার জন্য পর্যাপ্ত জায়গায় ব্যবস্থা করেছেন। তাঁদের দাবি, দ্বারকা নগরী না–দেখে কেউ হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরবেন না।
