কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসল করতে নেমে সাগরের প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়া পাঁচ পর্যটকের সবার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এস এম নাফিসুর রহমান নিবিড় নামে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনার উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলাতলী সৈকতের ভাঙার মোড় এলাকায় এক্সোটিকা সাম্পানের কাছে লাশটি পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন প্রথমে লাশটি দেখতে পেয়ে সৈকতের কর্মী ও লাইফগার্ডদের খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে সেটি উদ্ধার করে।
নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৭ ঘণ্টা পর নিবিড়ের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে বুধবার বিকেলে হিমছড়ি জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে গোসল করতে নেমে প্রবল স্রোতে ভেসে যান কয়েকজন পর্যটক। ওই দিনই উদ্ধার করা হয় সাইবুল হক জিসান, আল মাহিবুল ইবনে মোকারম রোহান ও আকাশের লাশ।
পরে বৃহস্পতিবার সকালে হিমছড়ির সাগর নিবাস এলাকা থেকে মো. হারুন নামে আরেক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় নিবিড়ের লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে নিহতের সংখ্যা পাঁচে পৌঁছায়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় সৈকতে ঢাকার উত্তরার সাত তরুণ এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার পাঁচ তরুণের দুটি দল অবস্থান করছিল। চট্টগ্রামের দলের এক সদস্য পানিতে তলিয়ে যেতে থাকলে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তার সঙ্গীরা। কিন্তু তাদের কেউ সাঁতার জানতেন না। এ সময় সাগরের তীব্র স্রোতে ভেসে যান পাঁচ তরুণ।
