
আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নতুন প্রধান কোচ পোলার্ড
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ২০২৭ মৌসুম সামনে রেখে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সঙ্গে যুক্ত থাকা এই ক্যারিবীয় তারকা এবার মাহেলা জয়াবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রধান কোচ হিসেবে এটিই হতে যাচ্ছে পোলার্ডের প্রথম দায়িত্ব।
খেলোয়াড় হিসেবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন পোলার্ড। ২০১৩, ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯ ও ২০২০ সালে দলটির পাঁচটি আইপিএল শিরোপা জয়ের প্রতিটিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। আইপিএলে ১৮৯ ম্যাচ খেলে ১৪৭.৩২ স্ট্রাইক রেটে ৩ হাজার ৪১২ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৬৯টি উইকেট।
২০২২ মৌসুমে আইপিএলে খেলোয়াড় হিসেবে শেষবার মাঠে নামেন পোলার্ড। এরপর ২০২৩ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। চার মৌসুম ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করার পর এবার ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান কোচের দায়িত্ব পেলেন এই ক্যারিবীয় তারকা।
নতুন দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পোলার্ড। তিনি বলেন, ‘মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রধান কোচের দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। মুম্বাই আমার জীবন ও ক্যারিয়ারের একটি বিশাল অংশ। এই দল, খেলোয়াড়েরা এবং পল্টনের সঙ্গে আমার যে বন্ধন, তা আমার কাছে অনেক মূল্যবান।’
তিনি আরও বলেন, ‘খেলোয়াড় ও পরে কোচ হিসেবে এই যাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে আমি জানি, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কীসের প্রতিনিধিত্ব করে এবং দলের নীল ও সোনালি জার্সি গায়ে জড়ানোর সঙ্গে কী ধরনের দায়িত্ব জড়িয়ে আছে।’
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কর্তৃপক্ষের আস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পোলার্ড বলেন, দলের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চান তিনি। পাশাপাশি দলের গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখা, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে সহায়তা করা এবং সমর্থকদের আরও আনন্দের উপলক্ষ এনে দেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
দীর্ঘদিনের পরিচিত পরিবেশ ও দলীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে পোলার্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন মৌসুমে সাফল্যের ধারায় ফিরতে চায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।
পোলার্ডের এই নতুন পদোন্নতিতে বেশ আনন্দিত মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মালিক নীতা আম্বানিও। তিনি বলেন, ‘মাত্র ২২ বছর বয়সে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে যোগ দিয়েছিল পোলার্ড। গত ১৬ বছরে সে আমাদের পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। খেলোয়াড় হিসেবে সে আমাদের অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। আর কোচ হিসেবে ভাগাভাগি করে চলেছে নিজের অভিজ্ঞতা, আবেগ এবং খেলা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান।’
