বিগত ৪ দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর তত্ত্বাবধানে কুষ্টিয়া সুগার মিল লাভের মুখ দেখেন। এরপর থেকে প্রতি বছর লোকসানের কারণে কুষ্টিয়া সুগার মিলটি আজ ধ্বংসের পথে। গত ১৯ বছরের ৪১৫ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয় কুষ্টিয়া সুগার মিলস (চিনি কল)। প্রতি মৌসুমে কোটি কোটি টাকা লোকসানের বোঝা ও নানা সংকটে চিনিকলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
২০০১-০২ থেকে ২০১৯-২০ অর্থ বছর পর্যন্ত গত ১৯ বছরে দেশের বৃহত্তম এই চিনিকলটিতে লোকসান হয়েছে ৪১৫ কোটি টাকা। ধারাবাহিক লোকসানের কবলে পড়া কুষ্টিয়া সুগার মিলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে। এরপর থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠানটির দিকে নজর নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে কারখানা ভবনসহ অন্যান্য অবকাঠামো হয়ে পড়েছে নড়বড়ে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্থ জায়গাগুলো মেরামতে অর্থ বরাদ্দ দেয়নি চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন। টানা কয়েক মৌসুম বন্ধ থাকায় চিনিকলটির অভ্যন্তরে বিরাজ করছে ভূতুড়ে পরিবেশ ও সুনসান নীরবতা। এককালের জৌলুসপূর্ণ এই মিলে এখন নেই কর্মব্যস্ততা ও প্রাণের কলরব। সব মিলিয়ে এক সময়ের নামকরা এতিহ্যবাহী এ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি যেন এখন শুধুই ধ্বংস স্তুপে রূপলাভের অপেক্ষার প্রহর গুনছে।
দীর্ঘদিন অচলাবস্থার পর বর্তমান সরকারের কাছে মিলটি পুনরায় চালুর জন্য দাবী জানিয়েছেন কুষ্টিয়াবাসী। এ নিয়ে কুষ্টিয়ায় শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্মতা প্রকাশ করে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে যাচ্ছেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, ১৯৬১ সালে কুষ্টিয়া শহরে অদূরে জগতি নামক স্থানে ২২১.৪৬ একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়া চিনিকল। ১৯৬৫-৬৬ সালে পরীক্ষামূলকভাবে এ মিলে চিনি উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৬-৬৭ সালে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় চিনি উৎপাদন। পরে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সরকার। ১৯৬৫-৬৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়া সুগার মিল শুরুতে কয়েক বছর লাভের মুখ দেখলেও নব্বই দশকের পর থেকে টানা লোকসানে পড়ে।
পাহাড়সম লোকসানের ভারে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়লে দেশের ১৫টি চিনিকলের মধ্যে কুষ্টিয়া সুগার মিলসহ ৬টি মিলের উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কুষ্টিয়া চিনিকলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি সুপারিশপত্রে চিনি উৎপাদন, আখের জমি হ্রাসকরণ, মিলের ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা, লোকসান ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ঊর্ধ্বগামী হওয়ায় দেশের ১৫টি চিনিকলের মধ্যে কুষ্টিয়া চিনিকলসহ ছয়টি চিনিকলে ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে আখ মাড়াই মৌসুমে উৎপাদন স্থগিত করা হয়।
এতে কয়েকশ’ শ্রমিক-কর্মচারীর পাশাপাশি প্রায় ৪০ হাজার আখচাষী চরম সংকটে পড়েন।
উৎপাদন বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কুষ্টিয়া চিনিকলের অবসরপ্রাপ্ত কারখানা শ্রমিক মিনাপাড়ার বাসিন্দা রেজাউল করীম (৭৫) বলেন, ‘প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরির শ্রমিক, কৃষক, ব্যবসায়ী মিলে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের আয় রোজগারের কেন্দ্র ছিল এ প্রতিষ্ঠানটি। চলছিলও ভালোই, লাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এর উৎপাদন ক্ষমতাও বৃদ্ধি করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলা, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার ফলে এ প্রতিষ্ঠানটিকে লোকসান দেখিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হলো।
বন্ধ হওয়া কারখানাটি এখন আস্তে আস্তে মাটিতে মিশে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। এত বড় একটা কারখানা চোখের সামনে ধ্বংস স্তুুপ হয়ে যাচ্ছে। কারখানার শেডগুলো খসে পড়ে যাচ্ছে, অথচ দেখার কেউ নেই।’
বর্তমানে মিলের শত কোটি টাকার যন্ত্রাংশ অযত্ম-অবহেলায় পড়ে রয়েছে, যা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনেককেই অন্য চিনিকলে পদায়ন করা হয়েছে।
বিগত সময়ে প্রতি মৌসুমে চিনি উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও এ মিলে লাভের চেয়ে লোকসানই হতো বেশি। তবে ১৯৯৪-৯৫ অর্থ বছরে ২ কোটি ৬১ লাখ ও ৯৫-৯৬ অর্থ বছরে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা মিলে লাভ হয়।
এছাড়া বিগত ২০০১-২০০২ থেকে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছর পর্যন্ত গত ১৯ বছরের হিসাবমতে লোকাসন হয়েছে ৪১৫ কোটি টাকা।
চালুর প্রথমদিকে মিলটি লাভজনক হলেও পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, অনিয়ম-দুর্নীতি ও মাথাভারী প্রশাসনসহ নানা কারণে ক্রমাগত লোকসানের ঊর্ধ্বগতিতে মিলটি অতি রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে। ফলে লোকসানের বিশাল বোঝা মাথায় নিয়ে কৃষিভিত্তিক একমাত্র প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়া সুগার মিল পড়ে চরম হুমকিতে। এ দৈন্যদশায় মিলটি বন্ধ হয়ে যায়। এতে ৩০ কর্মকর্তাসহ ৮৯০ জন কর্মচারী চাকরি হারান। চাকুরী হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেক শ্রমিক কর্মচারী।
কুষ্টিয়া সুগার মিলটির প্রতিদিনের চিনি উৎপাদন ক্ষমতা ১৫’শ মেট্রিক টন এবং বার্ষিক মাড়াই ক্ষমতা ১৫ হাজার মেট্রিক টন। মিল জোনের আওতায় আখ চাষ হতো ৪০ একর জমিতে।
এছাড়া বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় চাষি পর্যায়ে আখ চাষ হতো ৭ হাজার ৯শ’ ৯৩ একর জমিতে। বিক্রিত আখের দাম পরিশোধে দীর্ঘ সূত্রিতাসহ হয়রানি ও নানা জটিলতায় চাষি মিলে আখ সরবরাহে আগ্রহ হারায়। প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত মিলটি আধুনিকীকরণ (বিএমআরই) করা হয়নি। ফলে বহু পুরাতন যন্ত্রাংশে সজ্জিত কারখানা প্রতি মৌসুমেই যান্ত্রিক ত্রুটিসহ ব্রেক ডাউনে চিনি উৎপাদন ব্যাহত হতো।
এছাড়াও প্রতি মৌসুমে মিলে উৎপাদিত হাজার হাজার টন চিনি থাকে অবিক্রীত। আমদানিকৃত চিনির বাজার মূল্য কম হওয়ায় ডিলার ও ভোক্তারা দেশি চিনির পরিবর্তে কেমিক্যাল মিশ্রিত রিফাইন চিনির দিকেই বেশী ঝুঁকেন। ফলে নানা সংকটে সম্ভাবনাময় এ মিলটি ঘুর দাঁড়াতে পারেনি।
১৯৬১ সালে স্থাপিত এই মিলটি নিয়মিত চিনি, চিটাগুড়, মন্ড ও জৈবসার উৎপাদন করে আসছিলো। প্রথম কয়েক বছর মিলটি লাভে থাকলেও একসময় মুখথুবড়ে পরে। ধারাবাহিক ভাবে লোকসানে চলে যায় মিলটি।
ষাটের দশকে প্রতিষ্ঠত চিনি শিল্প করপোরেশন যাত্রা শুরু হয়। দেশে শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থানের লক্ষে মিলগুলো প্রতিষ্ঠিত হলেও সময়ের পরিবর্তনে আজ রাষ্ট্রের বোঝা হয়ে পড়েছে চিনি শিল্প। সরকারের সঠিক পদক্ষেপের অভাবে ১৫ টি চিনি কলের মধ্যে মাত্র একটি লাভের পথে, দুইটি কলের সক্ষমতা ৫০% এর উপরে আর বাকি গুলো পথ হারিয়ে মুখথুবরে পড়ে। সার্বিক উৎপাদন ক্ষমতা ও ব্যয় বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক দুর্নীতি সহ নানা কারনে মিলগুলোর লোকসান হয় প্রতিবছর। ধারাবাহিক লোকসানে সরকার ভর্তুকি দিতে দিতে হাপিয়ে ওঠে। তাই সরকার কুষ্টিয়া সুগার মিলটি বন্ধ করে দেয়।
কুষ্টিয়া সুগার মিল শ্রমিক নেতারা বলেন, সরকার শ্রমিকদের কথা চিন্তা করলো না। কুষ্টিয়া সুগার মিলটি আমাদের রুটি রুজি। সরকার শুধু লোকসানের চিন্তা করলো কিন্তু শ্রমিকদের জীবনের কথা চিন্তা করলো না।
কুষ্টিয়ার সাধারন মানুষ মনে করেন, কুষ্টিয়ার ঐতিহ্য ও একমাত্র ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান সুগার মিলটি বন্ধ করা সঠিক হয়নি। সরকার চাইলেই লোকসান ঠেকাতে সক্ষম। মিলকে ১০০% দুর্নীতিমুক্ত করে পুরাতন যন্ত্রাংশ মেরামত করে মিলকে সম্পুর্ন আধুনিক করে পুনরায় চালু করতে পারে।
কুষ্টিয়া সুগার মিলে দীর্ঘদিন ধরে ২০২ শ্রমিক-কর্মচারীর প্রায় ২৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বকেয়া। মাড়াই কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পর থেকেই এই বিপুল পরিমাণ পাওনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস জানান, মিল বন্ধের সময় ২৬২ জনের প্রায় ২১ কোটি টাকা বকেয়া ছিল। ২০২৫ সাল পর্যন্ত আরও ১০০ শ্রমিকের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা বকেয়া। অর্থের অভাবে শ্রমিকরা সুচিকিৎসা করাতে পারছেন না এবং সন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া পর্যন্ত থমকে গেছে। ফলে দ্রুত বকেয়া পরিশোধ ও মিল চালুর দাবি জানান তিনি।
অনেকেই মন্তব্য করেন, সরকার বিদেশ থেকে চিনি আমদানী করায় দেশীয় উন্নত চিনি বেশি দামে ক্রেতারা ক্রয় করতে চায় না। ফলে দেশীয় শিল্প দিন দিন ধ্বংসের দিকে চলে যায়।
কুষ্টিয়া চিনিকল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক নেতা কামরুজ্জামান মিথুন বলেন, “প্রথমত সুগার মিল সচল রাখা জরুরি, পাশাপাশি অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।”
প্রায় ৪০ হাজার আখচাষীর প্রতিনিধি শাহাবুর রহমান খয়বার জানান, “সুগার মিল বন্ধ হওয়ায় আখচাষীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছে। তাই এটি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
সুগারের মিলের কর্মকর্তারা জানান, আমাদের দেশে ফ্রেস, মেঘনা, পারটেক্সসহ বিভিন্ন কোম্পানী বিদেশ থেকে নিম্নমানের কেমিক্যাল ক্রয় করে কেমিক্যাল চিনি তৈরী করে বাজারে কম দামে বিক্রি করে। এই চিনি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। অথচ দাম কম হওয়ায় ওই চিনি বেশী বিক্রি হয়। এতে করে দেশীও চিনি বিক্রি একবারই কমে যায়। ফলে দেশীয় চিনি শিল্প ধ্বংসের মুখে চলে যায়।
এদিকে চিনিকল বন্ধের প্রতিবাদে ৫ দফা দাবিতে কুষ্টিয়া চিনিকলে শ্রমিক-চাষীরা মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেন। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, চিনিকলের পাশে বাইপাস সড়কে চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারি ইউনিয়ন, আখ চাষী কল্যান সমিতি ও রেনউইক যজ্ঞেশ্বর শ্রমিক ইউনিয়ন বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে। সকল সংগঠনই কুষ্টিয়া বন্ধ হওয়া সুগার মিলটি চালুর দাবী তোলেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে মিলটি চালুর ব্যাপারে কর্মসূচী পালন করেন।
বন্ধ সুগার মিল চালুর দাবিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে কুষ্টিয়া জগতি সুগার মিলের সামনে এ সমাবেশ করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কুষ্টিয়া জেলা নায়েবে আমীর আব্দুল গফুর।
ওই সমাবেশে মিলটি চালুর ব্যাপারে আব্দুল গফুর এমপি বলেন, সরকার কুষ্টিয়া সুগার মিলকে অলাভজনক দেখিয়ে বন্ধ করে রেখেছে। অথচ অতীতে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী শিল্পমন্ত্রী থাকাকালে এই মিলকে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে গেছেন। তিনি অনতিবিলম্বে কুষ্টিয়া সুগার মিল চালু করার দাবি জানান।
সমাবেশে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসাইন বলেন, “আপনারা যদি না পারেন, তাহলে এই মিল আমাদের হাতে দিয়ে দিন। আমরা দেখিয়ে দেব, কীভাবে এই মিলকে লাভজনক করতে হয়।”
সমাবেশে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বলেন, কুষ্টিয়া সুগার মিলটি বন্ধ করে শ্রমিক কর্মচারীরা মানবেতর অবস্থায় জীবনযাপন করছে। তাই মিলটি চালুর ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
কুষ্টিয়া সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা আক্তার জানান, কুষ্টিয়াসহ ছয়টি সুগার মিল কবে নাগাদ চালু হতে পারে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। এছাড়া যন্ত্রপাতি কতটুকু কার্যক্ষম তা যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। তবে মিলটি চালুর বিষয়ে আমরা আশাবাদী।
