প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস।ছবি: সংগৃহীত
Published on
:
2 min read
গরমে গলা ভেজাতে ঠান্ডা কোনও পানীয়ে চুমুক দেওয়ার লোভ হতেই পারে। অতিরিক্ত মিষ্টি বা ক্রিমযুক্ত কোনও পানীয়ে চুমুক দিলে হয়তো খনিকের স্বস্তি মেলে। কিন্তু ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। তবে বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস সম্প্রতি জানিয়েছেন, গরম থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীর ভালো রাখতে দেশি পানীয়ের উপরেই ভরসা রাখেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান যে তিনি মিষ্টি পানীয় খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না। বরং তার বদলে এক গ্লাস ‘ছাচ’ খেলে অনেক শান্তি মেলে।
লস্যি এবং ছাস—দু’টিই দই দিয়ে তৈরি করা হয়। তা সত্ত্বেও দু’টি পানীয়ের স্বাদ, গঠন এবং উপকরণের মধ্যে অনেকটাই তফাত রয়েছে।
লস্যি বনাম ছাস: লস্যি বেশ ঘন হয়। তার সঙ্গে চিনি বা ফল মিশিয়ে পানীয়টিকে আরও মিষ্টি করা হয়। অন্যদিকে ছাস হয় বেশ হালকা, নোনতা এবং ঘনত্বের দিক থেকেও বেশ পাতলা।
আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: মহারাষ্ট্রের সাবেকি ছাস হোক কিংবা দক্ষিণ ভারতীয় স্টাইলের মাঠা—এতে ভাজা জিরে গুঁড়ো, বিট নুন, ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, আদা কিংবা কারিপাতার ফোড়ন দেওয়া হয়। যাঁদের মিষ্টি পানীয়ের চেয়ে নোনতা ও মশলাদার স্বাদ বেশি টানে, তাঁদের জন্য এটি আদর্শ পানীয়।
গরমের দিনে ছাস কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, এর রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্যগুণ।
জলের ঘাটতি পূরণ: ছাসে জলের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি শরীরে হাইড্রেশন-এর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
প্রোটিন ও ক্যালশিয়াম: দই দিয়ে তৈরি হওয়ায় এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া (প্রোবায়োটিক) থাকে। পেট ঠান্ডা রাখতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে এই পানীয় দারুণ কার্যকরী। তবে ছাস-কে জলের বিকল্প ভাবলে ভুল হবে।
বাড়িতে কী ভাবে মশলাদার ছাস বানাবেন?
আধ কাপ ফেটানো টক দইয়ের সঙ্গে এক কাপ ঠান্ডা জল ভালো করে মিশিয়ে নিন।
এ বার দইয়ের মধ্যে বিট নুন, ভাজা জিরে গুঁড়ো এবং পুদিনা পাতা বা ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে নিন।
ভালো করে ফেটাতে শুরু করুন।
বরফ কুচি দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।