ভারতের অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তে চীনা সেনাদের সঙ্গে একাধিক স্থানে মুখোমুখি সংঘাত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ সিং কাপুর। গত জুলাই থেকে এ পরিস্থিতি চলছে বলে জানান তিনি। সীমান্তে চলমান উত্তেজনা নিয়ে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকারোক্তি।
ছয় বছর আগে ২০২০ সালে লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়েছিল ভারত ও চীন। রক্তক্ষয়ী ওই সংঘাতের জেরে দিল্লি ও বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সম্পর্কেরও অবনতি হয়। গত কয়েক বছরে সম্পর্ক উন্নয়নে ফের উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশই।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপির সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অরুণাচলের একাধিক স্থানে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘাত হয়েছে।
গত জুলাইয়ে অরুণাচলের তাকসিং এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ টহল পয়েন্টে উত্তেজনা দেখা দেয়।
আইটিবিপি প্রধান জানান, চীন সীমান্তের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর সব সীমান্ত ইউনিটে ড্রোন প্লাটুন গঠন করা হয়েছে। গালওয়ানের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো তৈরির কাজও চলছে।
এদিকে, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীরবতার সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। দলটির সংসদ সদস্য জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, অরুণাচলে টহল পয়েন্টে প্রবেশাধিকার হারানোর আশঙ্কা, চীনের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন এবং বড় বাঁধ নির্মাণের মতো বিষয়গুলোতে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
ডোকলাম ও পূর্ব লাদাখের পর অরুণাচল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরেকটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আরএ
