শরতের আকাশে দোলে তুলার মতো মেঘ আর মাটিতে দোলে কাশফুল। শহরের অলিগলিতে আলো ঝলমল করে আর গ্রামে ভোরের হিমেল হাওয়া জানান দেয় শীত আসছে। ব্যস্ত জীবনের মাঝে হঠাৎ যেন একটা ছোট্ট বিরতি আসে। দূরে থাকা মানুষগুলো আবার ফিরে আসে। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়। পাড়ার আড্ডা জমে ওঠে। আর এই সবকিছুর নাম দুর্গাপূজা।
দুর্গাপূজা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির বার্ষিক রিইউনিয়ন। আরও নির্দিষ্ট করে বললে হিন্দু বাঙালির সামাজিক উৎসব। যেখানে মিশে থাকে স্মৃতি, সংস্কৃতি, সৌন্দর্য আর মানুষের সঙ্গে মানুষের নতুন করে যোগাযোগ।
আজকের জেন-জি প্রজন্মের কাছে এই উৎসব মানে ছবি, রিল, স্টোরি আর সোশ্যাল মিডিয়ার মুহূর্তও। কিন্তু এর আসল মজা এখনো সেই পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে গল্প করা, একসঙ্গে আয়োজন করা আর পরিচিত মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করে তোলা।
জেন-জি’দের প্যান্ডেল হুপিং আসার আগে এখানেই ছিল মণ্ডপ পরিক্রমা! সময়ের সাথে কিছু বদল এসেছে, মানতেই হবে। তবে দুর্গাপূজা শুধু একটি দিনপঞ্জির উৎসব নয়। এটি হিন্দু বাঙালির অনুভূতি, ঐতিহ্য আর একসঙ্গে থাকার সবচেয়ে সুন্দর সময়।
ধর্মীয় পরিচয়ের সীমা ছাড়িয়ে দুর্গাপূজা বাংলাদেশ, আসাম, ত্রিপুরা, বেনারস ও পশ্চিমবঙ্গের সমাজে এক বিশেষ সামাজিক ভাষাও তৈরি করেছে—যে ভাষায় মানুষ উৎসবের মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করে, আবার একই সঙ্গে অন্যের অস্তিত্বের প্রতিও সংবেদনশীল হওয়ার সুযোগ পায়।
তাই দুর্গাপূজাকে কেবল আচার বা বিশ্বাসের চোখে দেখলে এর বড় একটি সামাজিক গল্প অদৃশ্য থেকে যায়। এই গল্পটি মানুষের, সম্পর্কের, জনপরিসরের এবং বহুত্ববাদী সমাজে একসঙ্গে থাকার সম্ভাবনার গল্প।
তবে দুর্গাপূজাকে কেবল ধর্মীয় আচার হিসেবে দেখলে এর বৃহত্তর সামাজিক তাৎপর্য ধরা পড়ে না। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষিতে দুর্গাপূজা আসলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক যোগাযোগ-প্রক্রিয়া, যেখানে মানুষ সম্পর্ক পুনর্নির্মাণ করে, সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রকাশ করে এবং একটি সামষ্টিক অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে ওঠে।
যোগাযোগবিদ্যার দৃষ্টিতে উৎসব কেবল কিছু নির্দিষ্ট আচার পালনের বিষয় নয়; এটি একটি রিচুয়েল কমিউনিকেশন বা আচারভিত্তিক যোগাযোগের ক্ষেত্র। এই ধারণায় যোগাযোগ মানে শুধু তথ্যের আদান-প্রদান নয়, বরং একই অনুভূতি, স্মৃতি ও মূল্যবোধের মধ্যে মানুষের অংশগ্রহণ।
দুর্গাপূজার ক্ষেত্রেও তাই দেখা যায়—মণ্ডপে যাওয়া, প্রতিমা দেখা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, আত্মীয়-বন্ধুর সঙ্গে দেখা করা কিংবা পাড়ার আয়োজনে যুক্ত হওয়া—এসবই এক ধরনের সামাজিক যোগাযোগের চর্চা। মানুষ এখানে শুধু একটি উৎসবে অংশ নেয় না; তারা নিজেদের সামাজিক অস্তিত্বকে পুনরায় অনুভব করে।
দুর্গাপূজা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির বার্ষিক রিইউনিয়ন। আরও নির্দিষ্ট করে বললে হিন্দু বাঙালির সামাজিক উৎসব। যেখানে মিশে থাকে স্মৃতি, সংস্কৃতি, সৌন্দর্য আর মানুষের সঙ্গে মানুষের নতুন করে যোগাযোগ।
দুর্গাপূজার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর জনপরিসর তৈরি করার ক্ষমতা। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের বারোয়ারি পূজা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সামাজিক পূজার আয়োজন ব্যক্তিগত পরিসরকে অতিক্রম করে একটি উন্মুক্ত সামাজিক ক্ষেত্র তৈরি করে। পাড়ার রাস্তা, মাঠ, ক্লাব, মণ্ডপ—সবই সাময়িকভাবে জনপরিসরে পরিণত হয়, যেখানে বিভিন্ন বয়স, পেশা ও সামাজিক অবস্থানের মানুষ একত্রিত হয়। এই জনপরিসরে শুধু উৎসব পালিত হয় না; আলোচনা, মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক প্রকাশ এবং সামাজিক সম্পর্কের পুনর্গঠনও ঘটে।
কলকাতার দুর্গাপূজা আজ বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক নগর-উৎসব হিসেবে। বনেদী বাড়ির পূজা, থিম পূজা, শিল্পকলা, আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের প্রচার একে বৃহৎ সাংস্কৃতিক মঞ্চে পরিণত করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে দুর্গাপূজা হিন্দু বাঙালি সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ, যেখানে স্থানীয় সামাজিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক অংশগ্রহণের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
দুই বাংলাতেই পূজার সামাজিক চরিত্রের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এটি কেবল ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না (ফেসবকু ও ইনস্টাগ্রাম প্রজন্ম’র কেউ কেউ ঘরে বসে এই সময়টাতেও স্ক্রল করে করেই প্যান্ডেল হুপিং সারবে), বরং বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে যোগাযোগের একটি ক্ষেত্র তৈরি করে।
যদিও ডিজিটাল সমাজে প্রাচীন মূল্যবোধ ক্ষয়ে গিয়ে নতুন আচরণ ও মূল্যবোধ প্রজন্মগত কিছু বিতর্কও তৈরি করছে। কখনো কখনো এই উৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে যায় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের নির্মাণ। বাঙালি পরিচয় কোনো একক উপাদানে তৈরি নয়; ভাষা, সাহিত্য, সংগীত, খাদ্যাভ্যাস, ঋতুচেতনা এবং উৎসব—সব মিলিয়েই তা গড়ে ওঠে।
দুর্গাপূজা সেই পরিচয়ের একটি দৃশ্যমান প্রকাশ। বিশেষত প্রবাসী বাঙালিদের ক্ষেত্রেও পূজা একটি সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যম, যা ভৌগোলিক দূরত্বের মধ্যেও একটি অভিন্ন স্মৃতি ও পরিচয়ের অনুভূতি তৈরি করে।
দুর্গাপূজার সামাজিক বিস্তার বোঝার জন্য একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—উৎসবের জীবন কেবল শাস্ত্রনির্ধারিত আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। গরদের শাড়ি, নতুন পোশাক কেনা, প্যান্ডেল পরিক্রমা, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, রেস্তোরাঁ ও পথখাবারের আয়োজন, অতিথি আপ্যায়ন, পূজা সংখ্যা সাহিত্য সাময়িকী ও বিশেষ সংখ্যা এবং কোথাও কোথাও বুকস্টল, এমনকি অষ্টমীর দিনে তরুণ-তরুণীর আবেগঘন সামাজিক যোগাযোগ—এসবের কোনোটিই মূল পূজা-পদ্ধতির অংশ নয়।
আরও পড়ুন
তবুও সময়ের সঙ্গে এগুলো দুর্গাপূজার সামাজিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। এই বিস্তার আসলে বাঙালি সমাজে উৎসবের অভিযোজনক্ষমতা ও সাংস্কৃতিক উদারতার পরিচয় বহন করে। হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো—একটি উৎসবকে ঘিরে নানা সামাজিক অর্থ, নান্দনিক অভিজ্ঞতা ও মানবিক সম্পর্কের জায়গা তৈরি হওয়ার সুযোগ। ফলে শাস্ত্রাচার ও সামাজিক উদযাপন পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং তারা একই সাংস্কৃতিক পরিসরে সহাবস্থান করে।
দুর্গাপূজার সর্বজনীন আবেদন এখানেই যে, এটি কেবল উপাসনার স্থান নয়, বরং মানুষের মিলন, আনন্দ, সৃজনশীলতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের একটি বৃহৎ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
দুর্গাপূজার সামাজিক অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে প্রতীকী আন্তঃক্রীড়াবাদ-এর ধারণাটিও গুরুত্বপূর্ণ। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী মানুষ প্রতীক ও পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ তৈরি করে। দুর্গাপূজার প্রতিটি উপাদান—শরতের আগমন, নতুন পোশাক, মণ্ডপ, আলো, ধুনুচি নাচ, ঢাক, ভোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সমাজে বিশেষ অর্থ বহন করে। এগুলো কেবল বস্তু বা আচরণ নয়; এগুলো স্মৃতি, আবেগ এবং সামাজিক সম্পর্কের প্রতীক। একটি মণ্ডপে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষ একই সঙ্গে ব্যক্তিগত আনন্দ এবং একই সাথে একটি বৃহত্তর সামাজিক অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে ওঠে।
হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো—একটি উৎসবকে ঘিরে নানা সামাজিক অর্থ, নান্দনিক অভিজ্ঞতা ও মানবিক সম্পর্কের জায়গা তৈরি হওয়ার সুযোগ। ফলে শাস্ত্রাচার ও সামাজিক উদযাপন পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং তারা একই সাংস্কৃতিক পরিসরে সহাবস্থান করে।
তবে সমকালীন দুর্গাপূজার চরিত্রে পরিবর্তনও স্পষ্ট। গণমাধ্যম, কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষকতা এবং সামাজিক মাধ্যম উৎসবকে আরও বিস্তৃত করেছে। এখন একটি পাড়ার পূজাও ডিজিটাল মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়। এর ফলে উৎসবের পরিসর যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে প্রদর্শন ও প্রতিযোগিতার প্রবণতা।
তবুও এর সামাজিক মূল সুর—মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ—অক্ষুণ্ণ রয়েছে। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও কালজয়ী গানের বদলে চটুল গান মণ্ডপে ঠাঁই নিয়েছে বহুল জনপ্রিয়তায়। মান্না, হেমন্ত, কিশোর, লতা এখন ব্রাত্য বা কোণঠাসা! সমকালীন ডিজিটাল জনপরিসরে দুর্গাপূজার মতো একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক উৎসবকে ঘিরে কখনো কখনো যে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, অবমাননাকর মন্তব্য কিংবা আন্তঃধর্মীয় বিরোধের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে, যা একই সঙ্গে উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক।
বাংলাদেশের হিন্দু বাঙালি পাড়াগুলোয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগও তৈরি করে। একটি বহুধর্মীয় সমাজে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের ভূমিকা শুধু সংখ্যার বিচারে নির্ধারিত হয় না; বরং তা নির্ধারিত হয় তাদের সামাজিক আচরণ, উদারতা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে।
একটি রাষ্ট্রের শক্তি তখনই দৃঢ় হয়, যখন সব ধর্মের মানুষ যেকোনো উৎসব সহাবস্থানে থেকে একসাথে উদযাপন করে। সহাবস্থান কেবল সংঘাতের অনুপস্থিতি নয়; এটি সক্রিয় শ্রদ্ধা, পারস্পরিক আস্থা এবং নাগরিক সমতার চর্চার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের মতো বহুত্ববাদী সমাজে দুর্গাপূজা হিন্দু বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রকাশ।
উৎসবের সামাজিক তাৎপর্য বুঝতে হলে সংস্কৃতি ও যোগাযোগের পারস্পরিক সম্পর্কটি অনুধাবন করা প্রয়োজন। যোগাযোগ তত্ত্ববিদ এডওয়ার্ড টি. হলের বহুল আলোচিত ধারণা—“সংস্কৃতি হলো যোগাযোগ, আর যোগাযোগ হলো সংস্কৃতি”—আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সংস্কৃতি কেবল কিছু বিশ্বাস বা আচার-অনুষ্ঠানের সমষ্টি নয়; মানুষের আচরণ, প্রতীক, পারস্পরিক সম্পর্ক ও যৌথ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই তার প্রকাশ ঘটে।
দুর্গাপূজার ক্ষেত্রেও মণ্ডপ, প্রতিমা, ঢাক, আলোকসজ্জা, পোশাক, খাবার, আড্ডা কিংবা জনসমাগম—প্রতিটি উপাদানই একটি বৃহত্তর সামাজিক যোগাযোগের ভাষা তৈরি করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভারততীর্থ-এর আহ্বান—‘দেবে আর নেবে, মিলাবে মিলিবে, যাবে না ফিরে’—বহুত্বের মধ্যে মিলন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের যে দর্শন তুলে ধরে, তা বাংলার উৎসব-সংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।
দুর্গাপূজা সেই অর্থে ধর্মীয় আয়োজন নয়; এটি পারস্পরিক অংশগ্রহণ, সামাজিক সংযোগ এবং সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের একটি ক্ষেত্র। নৃতত্ত্ববিদ ক্লিফোর্ড গিয়ার্টজের ভাষায়, ‘মানুষ এমন এক অর্থের (মিনিং) জালের মধ্যে বসবাস করে, যে জাল সে নিজেই তৈরি করেছে।’
দুর্গাপূজার প্রতীক, রীতি, স্মৃতি ও সামাজিক অনুষঙ্গগুলোও সেই অর্থ-নির্মাণের অংশ, যা সময়ের সঙ্গে একটি ধর্মীয় উৎসবকে বৃহত্তর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় পরিণত করে।
ধর্মীয় বিশ্বাসের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখলে দুর্গাপূজা বাঙালি সমাজে এক ধরনের সামাজিক পুনর্মিলনের আয়োজন। এটি এমন একটি সময়, যখন ব্যক্তি তার দৈনন্দিন বিচ্ছিন্নতা অতিক্রম করে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে যুক্ত হয়। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজা তাই শুধু একটি উৎসব নয়; এটি সামাজিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক স্মৃতি এবং জনজীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ-পরিসর।
শরতের এই উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সমাজ কেবল প্রতিষ্ঠান দিয়ে তৈরি হয় না, তৈরি হয় মানুষের মিলন, অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে। দুর্গাপূজা সেই যোগাযোগেরই এক উজ্জ্বল সামাজিক প্রকাশ হয়ে উঠুক।
রাজীব নন্দী: সহযোগী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; পিএইচডি রিসার্চ স্কলার, স্কুল অব জার্নালিজম অ্যান্ড ম্যাস কমিউনিকেশন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত
rajibnandy@cu.ac.bd
