সাজেকে সৃষ্ট সমস্যার কিছু সমাধান হয়েছে, বাকি সমস্যাগুলো সমাধানে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল।
তিনি বলেন, সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। কিছু সমস্যা প্রশাসনিক, যা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আর কিছু সমস্যা রাজনৈতিক, সেগুলো সমাধানে আলোচনা চলছে। আশা করছি, এসব সমস্যারও সমাধান হবে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মীর হেলাল।
দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে মীর হেলাল বলেন, রাঙ্গামাটির প্রতিটি পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে এবং নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পূজা উদযাপন হবে। কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দিলে গুজবে কান না দিয়ে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
সভায় জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মঠ-মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান নিয়েও আলোচনা হয়।
সভা শেষে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে দুর্গোৎসব উপলক্ষে জেলার ৪৭টি মন্দিরের প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
গত ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাজেকে যাতায়াতকারী পর্যটকেরা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকের পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। দুর্গাপূজার জন্য অবরোধ ২১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে।
