সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজারের দানবাক্স ও ডেকচিতে ভক্তদের দেওয়া টাকা গণনা শুরু হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
জানা গেছে, মাজারের বিভিন্ন দানবাক্স ও ডেকচিতে জমা হওয়া অর্থ গণনা করা হচ্ছে। বরাবরের মতো এবারও দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দাবি-দাওয়া লেখা চিঠিও পাওয়া গেছে। তবে গণনা শেষে মোট কত টাকা ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে সরবরাহ করা সংবাদে কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির গত ২৩ সেপ্টেম্বরের সভায় দানের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় মাজারে জমা হওয়া অর্থের নির্দিষ্ট অংশ উন্নয়নমূলক কাজে এবং অবশিষ্ট অংশ অন্যান্য খরচ মেটাতে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাজারের মোট দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ অন্যান্য খরচ মেটানোর কাজে ব্যবহার করা হবে। অর্থাৎ, দানের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট অংশ বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
দানবাক্স ও ডেকচিতে ভক্তদের দেওয়া অর্থ গণনা এবং তা নির্ধারিত খাতে ব্যয়ের বিষয়টি মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ক্ষেত্রে কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে এবারের গণনায় মোট কত টাকা পাওয়া গেছে, বিদেশি মুদ্রার পরিমাণ কত এবং কতগুলো চিঠি পাওয়া গেছে—এসব বিষয়ে মূল সংবাদে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই এসব বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সংখ্যা বা অতিরিক্ত তথ্য উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
