বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদ্্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন। তিনি বলেন, এ বছর চট্টগ্রাম জেলার আওতাধীন ১৬ উপজেলা ও পৌরসভাসমূহে সর্বমোট ২,২৭৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পরিষদের উদ্যোগে গত ১০ অক্টোবর চণ্ডীতীর্থ মেধস আশ্রমে মহালয়া উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূর্জা উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ঘোষিত নির্দেশনাগুলো হলো ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে সাত্ত্বিকভাবে মায়ের পূজার্চ্চনা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মণ্ডপে প্রতিমা স্থাপন থেকে পূজা সমাপ্তি পর্যন্ত স্বউদ্যোগে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং প্রশাসনের সাথে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। পূজা চলাকালীন পূজামণ্ডপে নারী ও পুরুষদের পৃথক যাতায়াতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা। প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকতে হবে। গুজবে বিভ্রান্তি না হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগ, এবং ৯৯৯ যোগাযোগ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে দেশের সকল উপজেলায় সরকারী উদ্যোগে একটি করে মডেল মন্দির নির্মাণ করা, বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে চণ্ডীতীর্থ মেধস আশ্রমের উন্নয়ন এবং দক্ষিণ কাট্টলী বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুপ্রাচীন রানী রাসমনি বারুনী স্নানঘাট তথা সমুদ্র তীর্থ সংস্কার ও উন্নয়নে সরকারীভাবে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন – চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ কুমার মজুমদার, অধ্যাপক নারায়ন কান্তি চৌধুরী, সহ–সভাপতি সুনীল ঘোষ, বিজয় কৃষ্ণ বৈষ্ণব, অলক মহাজন, যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালিত, কল্লোল সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিমন মুহুরী, অর্থ সম্পাদক দীপক তালুকদার, সহ–গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অমিতাভ দাশ, নিউটন সরকার, হরিপদ চৌধুরী বাবুল উপস্থিত ছিলেন। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।

