রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বামেদের বুকস্টল ভাঙা হচ্ছে। নবমীতেও একাধিক জায়গায় স্টক ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির লোকজন এই হামলা চালাচ্ছে বলে সিপিএমের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে। সেই আবহে এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ ডা. সুভাষ সরকার। তিনি বলেন, “৪ তারিখের পর যারা বিজেপিতে এসেছে, তারাই অতি উৎসাহী। নিজেদের বিজেপির কর্মী হিসেবে প্রমাণ করতে গিয়েই সিপিএমের বুক স্টল ভাঙচুর করেছে তারা। এই ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত বিজেপির কোনও যোগ নেই।”
পুজোর সময় বামেরা বিভিন্ন জায়গায় বইয়ের স্টল করে। এবার বিজেপিশাসিত বাংলায় উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক স্টল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শাসকদলের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও সেই অভিযোগ মানতে চাইছেন না শাসকদলের লোকজন। হামলাকারীদের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নেই। সেই কথা বিজেপির তরফে পালটা দাবি করা হচ্ছে।
সেই ইস্যুতেই এবার বিতর্কিত মন্তব্য করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ ডা. সুভাষ সরকার। দুর্গাপুরের মণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন এই বিজেপি নেতা। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “৪ তারিখের পর যারা বিজেপিতে এসেছে, তাদের মধ্যে কিছুজন অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে। নিজেদের বিজেপির কর্মী হিসেবে প্রমাণ করতে গিয়ে তারা এই ধরনের কাজ করছে। তবে এই ধরনের রীতিতে বিজেপি বিশ্বাস করে না।” এই বক্তব্য নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
নবমীর রাতেও সিপিএমের বুকস্টলের উপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর এলাকায় একটি বুকস্টলে ভাঙচুর চালানো হয়! মঙ্গলবারে ওই ঘটনা ঘিরে বাম-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায় শেরপুর-কালীবাড়ি মোড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে জখম হন এক পুলিশ আধিকারিক। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তিতেও বামেদের স্টল ভাঙার অভিযোগ সামনে এসেছে। উত্তর দিনাজপুরেও বামেদের স্টলে বিজেপি হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ।
