Published on
:
2 min read
হরিয়ানার করনালে দিল্লি থেকে শ্রীনগরগামী একটি যাত্রিবাহী বাসে পাথর ও ইট ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে একদল যুবকের বিরুদ্ধে। ১৭ অক্টোবর রাতে নীলোখেড়ির একটি ধাবায় বাসটি দাঁড়ানোর পরে এই ঘটনা ঘটে। বাসের চালক ওয়াকার চৌধুরির অভিযোগ, জম্মু-কাশ্মীরের নম্বর প্লেট দেখে তাঁকে ‘আতঙ্কবাদী’ বলে কটূক্তি করা হয়। এর পর বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনায় এক প্রবীণ যাত্রী আহত হয়েছেন।
চালকের কী অভিযোগ?
ওয়াকারের দাবি, রাতের খাবারের জন্য ডিভাইন স্টার ধাবার পার্কিং এলাকায় বাসটি দাঁড় করানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি গাড়িতে থাকা কয়েক জন যুবক আপত্তি জানাতে শুরু করেন। তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। চালকের অভিযোগ, তাঁকে বাস সরিয়ে নিতে বলা হয় এবং জম্মু-কাশ্মীরের গাড়ি হরিয়ানায় থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। এর পর বাসের সামনের কাচ, নম্বর প্লেট এবং অন্যান্য অংশে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলাকারীরা গুলি করে দেওয়া, বাসে আগুন লাগানো এবং যাত্রীদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন চালক।
আহত যাত্রী, তদন্তে পুলিশ
বাসের কাচ ভেঙে এক প্রবীণ যাত্রী আহত হন। বাসটি পরে গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
তবে হরিয়ানা পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য, ঘটনাটি পার্কিং এবং রাস্তা ছেড়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে ঘটেছে। পুলিশের দাবি, বচসা থেকেই পরিস্থিতি হাতাহাতি ও পাথর ছোড়ার পর্যায়ে পৌঁছয়। চালকের অভিযোগ এবং পুলিশের প্রাথমিক ব্যাখ্যার মধ্যে ঘটনার কারণ নিয়ে ফারাক রয়েছে।
ওমর আবদুল্লার পদক্ষেপ
ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তিনি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির সরকার ও পুলিশকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এমন ঘটনা আর যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে। উপত্যকার একাধিক রাজনৈতিক নেতাও কাশ্মীরি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
