শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রাক-পূজা, পূজাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন ও পূজা-পরবর্তী সময়-এই তিন পর্যায়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
গতকাল রোববার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব প্রাইডে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাবিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি জানান, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে পুলিশের নিরাপত্তা কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পূজার আগে, উৎসব চলাকালে এবং প্রতিমা বিসর্জন ও পূজা-পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি, মহল বা গোষ্ঠী যাতে পূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আইজিপি আশা প্রকাশ করেন, পুলিশ, পূজা উদযাপন কমিটি, ধর্মীয় নেতা ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে এবারও দুর্গাপূজা নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি ও বিভিন্ন পূজা-সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন। ঢাকায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার এবং নৌ পুলিশের পুলিশ সুপাররা ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।
উল্লেখ্য, এ বছর দেশে প্রায় ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে।
বিআলো/শিলি