আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) সরকারের আমলে কারাগার থেকে আদালতে হাজিরার জন্য নেওয়ার সময় হাতকড়া পরা অবস্থায়ও নিজের মুখে হাসি ছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।
তিনি বলেন, “একজন যোদ্ধার কখনো নত হওয়া উচিত নয়। লোকের কথায় কান না দিয়ে সামনে থেকে লড়াই ও প্রতিবাদ করতে হয়।”
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন রবিউল ইসলাম নয়ন।
পোস্টে তিনি লেখেন, “ছবিটা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমলের। জেল থেকে আমাকে কোর্টে আনা হয়েছিল হাজিরার জন্য। দেখুন হাতে হাতকড়াও নিয়েও আমার মুখে হাসি। কারণ আমি জানি, যোদ্ধাকে কখনো নত হতে নেই, যোদ্ধার মন খারাপ করতে নেই, পাছে লোকের কথা শুনতে নেই। লড়াই সামনে থেকে করতে হয়, প্রতিবাদ সম্মুখে গিয়ে করতে হয়।”
নিজেকে যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে নয়ন বলেন, “কাপুরুষের মতো পেছনের সারিতে বসে লড়াই করে তৃপ্তি পাই না। কারও পেছনে সমালোচনা করতেও ভালো লাগে না। আমি সরাসরি লড়াই করতে এবং মুখের ওপর কথা বলতে বিশ্বাসী।”
তিনি লেখেন, “আমি ঠোঁটকাটা। ঠিক কে ঠিক, আর ভুল কে ভুল বলা আমার অভ্যাস। চাইলেও এই অভ্যাস বদলাতে পারি না। ফেক হাসি হাসা, যাকে পছন্দ নয় তার সঙ্গে হাসিমুখে আলাপচারিতা করা—এসব আমার ব্যাকরণে নেই। কাউকে অহেতুক জাজও করি না।”
নয়ন বলেন, “আমার এই অভ্যাস আমাকে বহু মানুষের চোখে মন্দ করে রেখেছে, একলা করে রেখেছে। কিন্তু আমি মনে করি, নিজের মনে দ্বন্দ্ব নিয়ে বাঁচার থেকে লোকের চোখে মন্দ হওয়া বা একলা হওয়া মন্দ নয়।”
