সৌদি আরব থেকে নিজেদের কিছু কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবারও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবে তিনজন নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়তে বলেছে মার্কিন সরকার।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট বলেছেন, ‘আমাদের কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা সবার আগে।’
রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এবং সৌদি আরবের অন্যান্য স্থানে থাকা কনস্যুলেটগুলোতে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কূটনীতিক এই নির্দেশনার আওতায় রয়েছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন সময় এ ঘোষণা দিল, যখন এনবিসি ও এএফপির মতো সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলো থেকেও কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আবারও যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছেন।
তবে মুখপাত্র টমি পিগট সৌদি আরব ছাড়া অন্যান্য দেশ থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার খবরকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন।
গত জুলাইয়ে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর থেকে উভয় পক্ষ একে অপরের অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে। এর মধ্যে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হুথিরা একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু রিয়াদ বিমানবন্দরেই হুথিদের হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার হুথিরা দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা চালায়। এতে একজন নিহত হন। অন্যদিকে, একটি তেল শোধনাগারে হামলায় আরও দুজনের প্রাণহানি ঘটে।
