সংবাদ · সাধারণ
কাউন্টারে নেই কেবিনের টিকিট, দ্বিগুণ দামে মিলছে কালোবাজারে
২২/১০/২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা ও টানা তিন দিনের সরকারি ছুটি শেষে বরিশাল ছেড়ে যাওয়ার সময় যাত্রীদের পর্যাপ্ত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লঞ্চঘাট ফাঁকা ও কাউন্টারে কেবিন বা সিট নেই বলে জানানো হলেও অতিরিক্ত টাকা দিলে কালোবাজারে (ব্ল্যাকে) ঠিকই টিকিট মিলছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সরেজমিনে বরিশাল লঞ্চঘাট ঘুরে দেখা যায়, ঘাটের ভেতর ও বাইরে যাত্রীর তেমন চাপ না থাকলেও টিকিট কাউন্টারের চিত্র ভিন্ন। ঘাটে নোঙর করা ‘পারাবত-১২’ লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, সরকারি ছুটি ও পূজার ছুটির চাপ থাকায় কোনো সিট বা কেবিন খালি নেই, সবই বিক্রি হয়ে গেছে।তবে সাধারণ যাত্রীদের অভিযোগ, কাউন্টারে কেবিন খালি নেই বলা হলেও ঘাটের আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা দালাল বা কালোবাজারিদের কাছে বাড়তি টাকা দিলেই মিলছে কেবিন কিংবা সোফা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক যাত্রী জানান, ২ হাজার টাকার কেবিনের জন্য ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে।ঝালকাঠি থেকে আসা মোস্তফা নামের এক যাত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার জন্য ঘাটে এসে কেবিনের খোঁজ করলে কাউন্টার থেকে তাকে টিকিট নেই বলে জানানো হয়। অথচ বাইরে চড়া দামে ঠিকই টিকিট বিক্রি হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।বৃহস্পতিবার বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে পারাবত-১২, মানামী, প্রিন্স আওলাদ ও এম খান-৭-এই চারটি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে লঞ্চঘাটে কিছু ভিড় দেখা গেলেও বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রূপাতলী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি; তবে সেখানেও পর্যাপ্ত সিট না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেক যাত্রী।এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল নদীবন্দরের বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান ইমন সংবাদকে বলেন, ‘ব্ল্যাকে কেবিনের টিকিট বিক্রি বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ যদি কারও কাছে থাকে, আমাদের জানান। তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মূল প্রতিবেদনে যান ↗