কালবেলা · খেলাধুলা
ধ্বংসস্তূপে বুক চিতিয়ে লড়ে বাভুমার রেকর্ডময় সেঞ্চুরি
২০/১০/২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ১-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে পিছিয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসেও মাত্র ১১০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা বিপর্যয়ে পড়ে। মার্কো জানসেনের সঙ্গে সপ্তম উইকেট জুটিতে ১৩২ রান তুলে অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা দলকে উদ্ধার করেছেন। নিজে করেছেন রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরি।
গবেরহায় দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম অধিনায়ক হিসেবে লাল বলে সেঞ্চুরি করলেন বাভুমা। এর আগে ১৯৯২ সালে এই ভেন্যুতে ভারতের বিপক্ষে কেপলার ওয়েসেলসের করা ৯২ রান প্রোটিয়া অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ ছিল। অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বলে ডিপ মিড উইকেটে চার হাঁকিয়ে ২২৬ বলে ম্যাজিক ফিগার পূর্ণ করেন বাভুমা।
টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পথে প্রোটিয়া অধিনায়ক ১১টি চার ও ১টি ছক্কা মেরেছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক হিসেবে ফরম্যাটটিতে চতুর্থ। এর আগে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দারুণ দৃঢ়তায় সেঞ্চুরি পথে ছিলেন জানসেনও। কিন্তু ১০০ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৫ রান করে তিনি স্কট বোল্যান্ডের বলে আউট হয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আফ্রিকার অষ্টম ব্যাটার হিসেবে নেমে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করলেন জানসেন। এর আগে ১৯৯৮ সালে ব্রায়ান ম্যাকমিলানের করা ৮৭ রান সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত। সেই ম্যাচ ছিল অজিদের মাঠ অ্যাডিলেডে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগপর্যন্ত গবেরহা টেস্টের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩০৬ রান। বাভুমা ১২২ এবং সিমন হারমার ২১ রানে অপরাজিত আছেন।
এদিকে, এই টেস্টে যার খেলা নিয়ে অজিদের দোদুল্যমান দশা ছিল, সেই স্কট বোল্যান্ডই ধসিয়ে দিয়েছেন প্রোটিয়াদের ব্যাটিং টপঅর্ডার। ২৫ ওভারে ৬৩ রানের বিনিময়ে তিনি এখন পর্যন্ত ৫ উইকেট নিয়েছেন। যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফাইফার। দ্বিতীয় অজি বোলার হিসেবে তিনি গবেরহায় টেস্টে ৫ উইকেট শিকার করলেন, ১৯৯৭ সালে প্রথমবার একই কীর্তি গড়েছিলেন জেসন গিলেস্পি (৫৪/৫)।
এ ছাড়া টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বয়োজ্যষ্ঠ (৩৭ বছর ১৯০ দিন) পেসার হিসেবে ফাইফার পেয়েছেন বোল্যান্ড। ১৯০৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফ্র্যাঙ্ক লেভার ৩৯ বছর ২৩১ দিন বয়সে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗