সীমান্তের সামরিক বিভাজনরেখা যৌথভাবে নির্ধারণ, সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালু ও অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ এড়াতে উত্তর কোরিয়াকে সামরিক বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া; গত মাসে অসামরিকীকৃত অঞ্চলে বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হওয়ার পর শুক্রবার এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সীমান্তের সুনির্দিষ্ট অবস্থান যৌথভাবে নির্ধারণ এবং সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা করতে উত্তর কোরিয়াকে সামরিক বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দুই দেশের মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) বিস্ফোরণের ঘটনায় সম্পর্কের আরও অবনতি হওয়ার পর শুক্রবার এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিবিষয়ক উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম হং-চল সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্থলসীমান্তের সামরিক বিভাজনরেখার (এমডিএল) সুনির্দিষ্ট অবস্থান যৌথভাবে নিশ্চিত করা, সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালুর উপায় নিয়ে আলোচনা এবং সীমান্ত এলাকায় অনাকাক্সিক্ষত সংঘর্ষ প্রতিরোধের লক্ষ্যে আমরা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছি।’
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতিসংঘ কমান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনাও রয়েছে।
কিম বলেন, ‘পানমুনজমের মাধ্যমে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশা করছে সিউল।
গত মাসে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হন। এ ঘটনায় পিয়ংইয়ংয়ের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও উপহাসের সঙ্গে নাকচ করেছে দেশটি।
১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে দুই কোরিয়াকে পৃথক করে রেখেছে ডিএমজেড। এটি একটি ভারী মাইন পোঁতা বাফার অঞ্চল, যেখানে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ এড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
সূত্র: বাসস
