নিজস্ব প্রতিবেদক । চট্টগ্রামনিউজ.কম
চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ট্রেন ছাড়তে তিন ঘণ্টা দেরির জেরে বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশন ম্যানেজারকে কিছু সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে এই এ ঘটনা ঘটে।
এসময় শত শত ক্ষুব্ধ যাত্রী স্টেশন ম্যানেজারের কক্ষে চড়াও হন। এক পর্যায়ে ম্যানেজারকে নিজ কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে রেলওয়ের কর্মীরা যাত্রীদের বুঝিয়ে শান্ত করলে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হন স্টেশন ম্যানেজার।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেটগামী ৭১৯ নম্বর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৭টা ৫০ মিনিট চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রেনটির ইঞ্জিন যুক্ত হয় দেরিতে। পাহাড়তলী লোকোশেড থেকে ইঞ্জিন দেরিতে প্লাটফর্মে আসায় ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হয়। এতে নির্ধারিত সময় চট্টগ্রাম স্টেশন ত্যাগ করতে পারেনি পাহাড়িকা এক্সপ্রেস।
এসময় যাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ। পরে প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে যায়। ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে যাত্রীরা স্টেশন ম্যানেজারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সিগন্যালিংয়ের সমস্যার কারণে সকালের কয়েকটি ট্রেন দেরিতে এসেছে। স্টেশনে দেরিতে আসার কারণে স্টেশন ছেড়েছে দেরিতে। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তবে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে গেছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে।
বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশনের কয়েকটি কক্ষ ভাঙচুর করেছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও স্টেশন ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক তা অস্বীকার করেন। তার দাবি, ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
চট্টগ্রামনিউজ/ এসডি/
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চট্টগ্রামনিউজ.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, মতামত, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি । আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।
