ছবির ক্যাপশন: .
দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রতিনিধি
দিনাজপুর পৌরসভাধীন শহরের উত্তর মধ্য বালুবাড়ী এলাকার মো. শাহজাহান আলীর দ্বিতীয় কন্যা স্নেহা মনি বয়স(১৬)বছর, মাতা মোছা. ফরিদা বেগম সাং উত্তর বালুবাড়ী কৃষি খামার রোড অফিসের গলি থানা-কোতয়ালি জেলা- দিনাজপুর। অত্র এলাকায় অপহরণ ঘটনার বিষয় নিয়ে যেন তুলকালাম সৃষ্টি হয়েছে।
দিনাজপুর কোতয়ালি থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, দিনাজপুর কোতোয়ালী থানা ধীন পৌরসভার অন্তর্গত দিনাজপুর আল-আমিন স্কুল এন্ড কলেজ হতে ২০২৫ সনের স্নেহা নামের মেয়েটি এস এস সি পরীক্ষা দিয়েছে। পক্ষান্তরে অপহরণকারী সজিব ইসলাম বাঁধন এর পিতা মো আইনুল ইসলাম পাতি মন্ডল মাতা: শোহেবা বেগম( শোভা) সাং-মধ্য বালুবাড়ী ঢিপিপট্টি থানাঃ কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর। অপহরণকারী সজীব ইসলাম বাঁধন পেশায় একজন বেকার ভবঘুরে এবং মাস্তান মাদক সেবনকারী তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। ইতিপূর্বে নাবালিকা মেয়ে স্নেহা মনি সপ্তম শ্রেণীতে অর্ধ্যয়নরত থাকাকালে এই সজীব ইসলাম বাঁধন তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে চলে গিয়েছিলো।
এই অপহরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাবালিকা মেয়ের পিতা মোঃ শাহজাহান আলী বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে নারীও শিশু মোকাদ্দমা একটি মামলা দায়ের করা হয় যাহার মামলা নং ৭২০/২০২২ মামলা বর্ণিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে অভিযোগকারীর নাবালিকা মেয়ে স্নেহা মনি অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত থাকা কালে আবার পুনরায় অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। অভিযোগকারী আবার পুনরায় অপহরণকারীর বিরুদ্ধে বাদী হযে একটি জি/আার মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ৫৫৫/ ২০২২ বর্ণিত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেয়েকে উদ্ধারও উক্ত আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
উক্ত মামলা দুইটি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। বর্ণিত মামলা দুইটি হতে বাঁচার জন্য প্রতিপক্ষ অভিযুক্ত আসামীর শহীত অভিযোগকারী মেয়ের বিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়ে ইতিপূর্বে অভিযোগকারী মেয়ের সহীত আসামীর বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেয়ের পিতা-মাতা উভয় রাজি না হওয়ায় আসামিরা বাদীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং এভাবেই তাহাদের ছেলে অর্থাৎ অপহরণকারী বাঁধন এর সহীত বিয়ে না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদান করে থাকেন। এরই এক পর্যায়ে অভিযোগকারী মেয়ে স্নেহা মনি বসত বাড়ি হইতে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্য বের হয়ে গত১৯/০৬/২০২৫ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১ টা.৩০ মিনিট ঘটিকার সময় দিনাজপুর কোতয়ালি থানা ধীন পৌরসভার এলাকার মধ্য বালুবাড়ীর কৃষি খামার অফিসের সামনে রাস্তায় পৌঁছালে পূর্ব হইতে সেখান থেকে অপেক্ষারত এই অপহারকারী বাঁধন তার সহযোগী ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তির সহযোগিতায় স্নেহা মনিকে বিভিন্ন প্রকার লোভ লালসা দেখাইয়া এবং ফুসলাইয়া তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একটি অটোতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায় ।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সজীব ইসলাম বাঁধনের পরিবারের তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সাংবাদিকদের কে জানান এসব বিষয় নিয়ে আমি কোন কিছুই জানিনা মেয়ে এবং আমার ছেলে কোথায় আছে তাও জানিনা। মেয়ের পক্ষের লোকজন আমাদেরকে কি করতে পারবে এই ভাবে হুমকি প্রদান দিয়ে থাকেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তিনি আরো জানান একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমরা এসব মামলায় ভয় করিনা। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায় যে লেখাপড়া করা কালে মেয়েটিকে রাস্তাঘাটে উত্যক্ত বিরক্ত করিতে থাকে এবং আজেবাজে কু-পস্তাব দেয় । অভিযোগকারী মেয়ে উক্ত আসামীকে রাস্তাঘাটে বিরক্ত ও উত্যক্ত করিতে নিষেধ করিলে আসামী অপরাপর আসামিগণের সহযোগিতায় শাহজাহান হোসেনের মেয়েকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি এবং হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে মেয়েটি তার ঘটনার বিষয় নিয়ে পিতা মাতাকে অবগত করিলে স্নেহার পিতা মাতা তাৎক্ষণিকভাবে আসামিকে মৌখিক ভাবে বাধা নিষেধ করিলে বাদিকে উল্টা মারধর করার চেষ্টা করেন। বর্তমানে অনেক খোঁজাখুঁজির করার পরেও মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এই মর্মে যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্য গনেরা।
