চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা বীণাপাণি সংঘ দুর্গাপূজা মণ্ডপ ‘নিরন্তর’ থিমের জন্য পেয়েছে ‘দশভূজা শারদ সম্মাননা’। ‘রঙ্গবতী’ নামের একটি ধর্মীয় কাল্পনিক ইভেন্টসের পক্ষ থেকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহা নবমী শেষে পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি প্রবীর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সমীর চৌধুরী, সহ-সম্পাদক জ্যোতির্ময় চৌধুরী, বীণাপাণি সংঘের সভাপতি মিল্টন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, ৮ নম্বর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার শীলসহ অন্যরা।
পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা জানান, দুর্গাপূজার পঞ্চমী তিথিতে বীণাপাণি সংঘের মণ্ডপে দেবীর বোধন অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। এ সময় তাঁরা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পূজা উদ্যাপনের ওপর গুরুত্ব দেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজাফফর আহমেদ।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ পূজামণ্ডপে এবার আরতি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘নিরন্তর’ থিম। থিমটি দেখতে বোয়ালখালীর পাশাপাশি চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হন।
দর্শনার্থীদের ভিড় সামাল দিতে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক সারির ব্যবস্থা করা হয়। সুশৃঙ্খলভাবে থিম পরিদর্শন শেষে তাঁরা মণ্ডপ ত্যাগ করেন। এ ছাড়া পূজার অষ্টমী ও নবমীতে দুপুর ও রাতে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
পূজার সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত তদারকি করে। মণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ ও আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন। আয়োজকদের দাবি, পূজার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এই বাংলা/এমএস
