সংবাদ বিজ্ঞপ্তি · ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ৯:০১ অপরাহ্ন
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন সিলেটের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। রোববার (২৫ অক্টোবর) নগরীর আখালিয়া নয়াবাজারস্থ ব্রাহ্মণশাসনে সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ফানুস উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাত ৯টার দিকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্ততে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিসি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করে আসছেন। সবাইকে পারস্পরিক ভালোবাসা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন আগে সিলেটসহ সারা বাংলাদেশে দুর্গাপূজা অত্যন্ত সুন্দরভাবে উদযাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবেই সব ধর্মের সহাবস্থানের দেশ।
আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করে। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। একটি সুন্দর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং সব নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সিলেট বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ শ্রীমৎ দিপষ্কর ভিক্ষুর সভাপতিত্বে ও চন্দ্রিকা বড়ুয়া মন্টির উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট বৌদ্ধ সমিতির এডহক কমিটির আহ্বায়ক সুকান্তি বড়ুয়া এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সদস্য সচিব সুজন বড়ুয়া। এ ছাড়া সভায় সিলেট বৌদ্ধ সমিতির সাবেক সভাপতি চন্দ্র শেখর বড়ুয়া, আখালিয়া নয়াবাজার কমিটির সভাপতি দেলওয়ার হোসেন জয়, মুসলিম নগর মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, বৌদ্ধ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উৎপল বড়ুয়া, তপন কান্তি বড়ুয়া ও এডহক কমিটির সদস্য পলাশ বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন।
দিনব্যাপী প্রার্থনা, মোমবাতি প্রজ্বলন ও ফানুস উত্তোলনসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হয়। রোববার সন্ধ্যায় ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
