সাধারণ মানুষের করের টাকা তছরূপের অভিযোগে টাকি পুরসভায় সিআইডির প্রতিনিধিদল। অভিযোগ উঠেছিল বর্তমান চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় এবং পুরসভার বেশ কয়েকজন অধিকারিকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার তদন্তের স্বার্থে পুরসভার নথিপত্র সংগ্রহ করল সিআইডি।
গত ৮ই জুন, টাকি পুরসভায় দুর্নীতি এবং কয়েক কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে, জনস্বার্থ মামলা করেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূলের কাউন্সিলর প্রদ্যোৎ দাস। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সিআউডি তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রায়ের বেঞ্চ। এ ছাড়াও আলাদা ভাবে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেয় তারা।
আদলতের নির্দেশ মতো টাকি পুরসভায় পৌঁছোয় সিআইডি। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা ধরে পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ-সহ বিভিন্ন আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা। এ ছাড়াও প্রচুর নথিপত্র খতিয়ে দেখার জন্য তা সংগ্রহ করা হয়েছে সিআইডির তরফে। মূলত, কোনও ‘ডবল রাইটিং’ বা সাদা কালি দিয়ে আসল লেখা মুছে তার উপরে পুনরায় লেখা, পুরসভার ভোট মিটিংয়ে পাস হওয়া সিদ্ধান্তের লিখিত নথি, মিটিংয়ের নথিতে যাঁদের হস্তাক্ষর রয়েছে তাঁরা সেই দিন পুরসভায় উপস্থিত ছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখতে আসল নথিগুলি নিয়ে, সেই সমস্ত নথির ফোটোকপি পুরসভাকে দিয়ে গিয়েছে সিআইডির প্রতিনিধি দল।
এই বিষয়ে সোমনাথ বলেন, “আমরা সিআইডিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। তারা যা যা নথিপত্র চেয়েছে আমরা সব তাদের দিয়েছি। আধিকারিকেরা সেইসব কাগজের মধ্যে কিছু কাগজ নিয়ে গিয়েছেন।আমরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করব তদন্তে।”
