আজ (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০.২২ মিশিগানের ডেট্রয়েট বিমানবন্দর থেকে সিয়াটল তাকমা বিমানবন্দর (ভায়া শিকাগো) ফ্লাইট ধরতে সকাল সাড়ে ৭টায় ওয়ারেন সিটির ভাগ্নে মামুনুল হুদা খান’র বাসায় নাস্তা করে বের হই, সকাল সাড়ে আটটায় পার্কিং করে উচু নিচু পথ বেয়ে আমেরিকান এয়ারলাইনসের বোর্ডিং কাউন্টারে পৌঁছি। ভাগ্নে মামুন মেশিনে টিকেট নম্বর দিয়ে বোর্ডিং স্লিপ হাতে দিলে কোলাকুলি করে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় জানিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়ি। দিনেরাতে ৭২ ঘন্টা অসাধারণ সার্ভিস দিয়েছেন প্রিয় ভাগ্না মামুন, মামাতো ভাই জামিরুল টিটু।
দুই ঘন্টা শিকাগো বিমানবন্দরে ট্রানজিট থেকে সিয়াটল তাকমা বিমানবন্দরে লোকাল টাইম চারটায় আমেরিকান এয়ারলাইনসের বিমান ল্যান্ড করে, ট্রাফিকের জন্য কাউন্টারে আসতে আধাঘন্টা বিমানকে রানওয়েতে দাড়িয়ে থাকতে হয়। আলাস্কা, ডেল্টা, ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের বেশ কয়েকটি বিমান এসময় উড়ে যায়, আলাস্কার বিমানে আলাস্কার আদিবাসীর প্রতিকৃতি রয়েছে, দূর থেকে অনেকটা ডিয়াগো ম্যারাডোনার ছবি দেখতে পাই। এয়ারপোর্টে আমাকে রিসিভ করতে এসেছেন খালাতো বোন আয়েশা খানম চৌধুরী, ভাগ্নি ফারজানা আক্তার জুমা, জামাতা সালাহ উদ্দিন। বিশাল বিমানবন্দরের ডমেস্টিক টার্মিনাল দিয়ে বের হতে অনেক সময় যায়, কয়েক দফা মোবাইলে যোগাযোগ হয়। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে আমাকে নিয়ে যান সিটির সবচেয়ে আকর্ষনীয় স্পটে।
‘Space Needle’ Symbol of Seattle City. ৬৪০ ফুট উপর থেকে ওয়াশিংটন ডিসির সিয়াটল সিটির চারপাশ দেখা হলো। খালাতো বোন আয়েশা খানম চৌধুরী, তাঁর বড় মেয়ে ফারজানা আক্তার (জুমা) ও জামাতা মোঃ সালাহ উদ্দিন’র সাথে এয়ারপোর্ট নেমে সোজা আকাশে ওঠে গেলাম। জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৫৫ ডলার। সুউচ্চ টাওয়ারে কাঁচের ফ্লোরে হাঁটা ছিল খুবই রোমাঞ্চকর। মিশিগান থেকে সাত ঘন্টার বিমান জার্নি করে সিয়াটল আসা, প্রিয় স্বজনদের দেখার সাথে নান্দনিক স্পট দেখে ভ্রমণের ক্লান্তি কেটে গেলো। বাসায় ফিরে দেখা হলো ভগ্নিপতি মোঃ আব্দুল হান্নান, ভাগ্না খসরু, জামাতা আছাব মিয়া, নাতি নাতনিদের (Ahan Bin Mohammad, Rahma Islam & Ruhan Islam) সাথে। ছোট ভাগ্নি মারজানা আক্তার রিপা ও ভাগ্না বৌ বুশরা দেশ থেকে মামার আমেরিকা আগমনে টেবিল ভর্তি নানান ডিশের (মিট এন্ড ফিশ) পসরা সাজিয়ে রেখেছেন। তাদের পরিবেশন করা মজাদার খাবার খেয়ে রাত ৯টায় বেডে চলে যাই। নিউইয়র্ক মিশিগান থেকে সিয়াটল সিটির সময় ৩ ঘন্টা পিছিয়ে, মিশিগান থেকে দীর্ঘ সময়ের জার্নি করে আসায় রাত ১২ টা মনে করে ঘুমিয়ে যাই, রাত ৩টায় ঘুম ভেঙেও যায় নিউইয়র্কের টাইমে (৬টায়), শেষতক সিয়াটল টাইম ৬টায় ঘরে থাকা মেশিনে ফজরের আজান হলে নামাজ আদায় করি
শেয়ার করুন

