কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ব্যাখ্যা, খসড়া কিংবা অনুশীলনের সহায়তা পাওয়া সহজ হয়েছে। তবে তৈরি উত্তর জমা দেওয়া আর বিষয়টি বুঝে নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারা এক ধরনের দক্ষতা নয়। শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহারের আলোচনায় এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
জেনারেটিভ এআই বিষয়ে ইউনেসকোর নির্দেশনায় মানুষকে কেন্দ্রে রেখে প্রযুক্তি ব্যবহার, তথ্যের গোপনীয়তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে নীতি ও প্রস্তুতির ব্যবধানের কথাও সেখানে রয়েছে।
শিক্ষার্থীর শেখার প্রক্রিয়ায় নিজে চেষ্টা করা, উত্তরের যুক্তি খতিয়ে দেখা এবং তথ্য মিলিয়ে নেওয়ার সুযোগ রাখা দরকার। শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও সুস্পষ্ট ব্যবহারবিধি থাকলে এআইকে শেখার সহায়ক হিসেবে কাজে লাগানো সহজ হয়।
