বিজেপির বাংলায় নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের ফল যে কংগ্রেসকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই আবহে এবার শক্তিবৃদ্ধি হতে চলেছে হাত শিবিরের। সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার তৃণমূলের ২ প্রাক্তন কাউন্সিলর এবার যোগ দিতে চলেছেন কংগ্রেসে। দুজনই মেয়র পারিষদ ছিলেন। কলকাতার রাজনীতিতে দুজনের ভূমিকাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ফলে এই যোগদানে কংগ্রেসের হাত আরও খানিকটা মজবুত হবে বলেই মনে করছেন নেতারা।
পালাবদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। বিধায়করা বেশিরভাগই ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। সাংসদরাও মমতার হাতে নেই বিশেষ কেউ। কাউন্সিলররা অধিকাংশই বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন। কেউ আবার নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার সকালে জানা গেল, কলকাতার পুরসভার প্রাক্তন দুই মেয়র পারিষদ যোগ দিতে চলেছেন কংগ্রেসে। এদিন দুপুর তিনটেয় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও মধ্য কলকাতার কংগ্রেস সভাপতি মানস সরকারের উপস্থিতিতে কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেবেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, মধ্য কলকাতার রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই দুই নেতারই। শিয়ালদহ থেকে বালিগঞ্জে তাঁদের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। পালাবদলের পর স্বাভাবিকভাবেই পরিস্থিতি বদলেছে। ফলে এই দুই নেতা কংগ্রেসের হাত মজবুত করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আসলে গত ১৫ বছরে কখনও একা, কখনও বামেদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভোটের ময়দানে নেমেছে কংগ্রেস। কিন্তু সে অর্থে লাভ হয়নি। গত বিধানসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছে খোদ অধীররঞ্জন চৌধুরীও জিততে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান দখল যে কংগ্রেসের জন্য আশার আলো তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার মাঝেই যোগ দিতে চলেছেন দুই তাবড় নেতা।
