পার্থের চিকিৎসক পিটার দি আলেসান্দ্রোর কাছে পাঠানো হয়েছিল নাহিদ রানার সব মেডিক্যাল রিপোর্ট। অনলাইনে তাঁর পরামর্শ ছিল, নাহিদ রানা চাইলে দেশেই পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। তবু সব রকম ঝুঁকি এড়াতে নাহিদ রানাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। আজ রাতেই পার্থের উদ্দেশে তাঁর দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা।
গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়েতে সাইড স্ট্রেইনের চোটে পড়েন নাহিদ রানা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টের পর খেলতে পারেননি আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টেও। সাইড স্ট্রেইনের চোট থেকে সেরে উঠলেও নতুন করে ব্যথা অনুভব করেন নিতম্বে। ঢাকায় করানো স্ক্যানে অবশ্য তাঁর গুরুতর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তারপরও পার্থে গিয়ে প্রথমে কিছু পরীক্ষা–নিরীক্ষাই করাবেন নাহিদ রানা।
পার্থের কোস্টাল অর্থোপেডিক হাসপাতালে পিটার দি আলেসান্দ্রোকে দেখাবেন তিনি। নাহিদ রানাকে সশরীর দেখে চিকিৎসক যেভাবে পরামর্শ দেবেন, সেভাবেই হবে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া। বিসিবি পার্থেই তাঁর ১০ দিনের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। পিটার দি আলেসান্দ্রোর সঙ্গে স্থানীয় একজন ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে চলবে তা।
জিম্বাবুয়ে সিরিজে চোট পাওয়ার পর প্রায় এক মাস ভারী ব্যায়াম করতে পারেননি নাহিদ রানা, করেননি বোলিংও। এরপর অনুশীলনে ফিরে প্রথমে ছোট রানআপে বোলিং শুরু করেন, পরে আস্তে আস্তে রানআপ বড় করেন। এর মধ্যেই ব্যথা অনুভব করেন নিতম্বে।
চিকিৎসকদের ধারণা, বোলিংয়ের জন্য যে শক্তি সঞ্চয় করা দরকার ছিল, মাসখানেক বিশ্রামে থাকায় সেটি সঞ্চয় করতে পারেননি নাহিদ রানা। এ কারণেই নিতম্বে ব্যথা অনুভব করছেন।
নিতম্বের ব্যথার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজেও নাহিদ রানার না খেলার সম্ভাবনাই বেশি। নভেম্বরের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দুটি টেস্টে তাঁকে কীভাবে খেলানো যায়, বিসিবির চাওয়া এখন সেটিই।
