জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্যাটারদের দাপটে রান উঠেছে, সেঞ্চুরি এসেছে ১১টি। তবে চার ম্যাচের তিনটিতেই জয়-পরাজয় দেখা যায়নি। একমাত্র জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম, বরিশালকে ইনিংস ও ১ রানে হারিয়েছে দলটি। শেষ দিনে ব্যক্তিগত অর্জনে আলো কেড়েছেন রাজশাহীর সাব্বির রহমান, সিলেটের আশরাফুল হাসান রিহাদ ও ঢাকার আশিকুর রহমান।
কক্সবাজারে বরিশালকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম। প্রথম ইনিংসে বরিশালের ২৮২ রানের জবাবে ৫৭৬ রান করেছিল চট্টগ্রাম। শেষ দিনে ৭৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে বরিশালের ব্যাটিং ধস নামান আশরাফুল হাসান। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারল বরিশাল।
মিরপুরে খুলনার বিপক্ষে ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে রাজশাহীর বড় ভরসা ছিলেন সাব্বির, ভালোভাবেই দায়িত্ব পালন করেছেন একটা সময় জাতীয় দলের নিয়মিত এই সদস্য। ২২১ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ১১৩ রান করেন সাব্বির। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রায় সাড়ে আট বছর পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন এই ব্যাটার। তাঁর ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ৫০০ রান তুলে ম্যাচ ড্র করে রাজশাহী। প্রথম ইনিংসে ১১৯ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর খুলনা করেছিল ৪৮৪ রান।
রংপুরের বিপক্ষে ৩৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৮৯ রান করে দিন শেষ করে ময়মনসিংহ। মাহফিজুল ইসলাম রবিনের ৬৮ এবং আল আমিন জুনিয়রের অপরাজিত ৫৫ রানের ইনিংসে ড্র নিশ্চিত হয়। প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪২২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর। জবাবে ময়মনসিংহ তোলেন ২৯৫ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ২৪৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর। ময়মনসিংহ পরে ৪ উইকেটে ১৮৯ পর্যন্ত গেলে ম্যাচে ড্র নিশ্চিত হয়।
অন্যদিকে, ঢাকা-সিলেট ম্যাচে ড্র অনেকটা অনুমিতই ছিল। চার দিনের ম্যাচে তিন দিনেও দুই দলের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল না। ব্যাটারদের আধিপত্যের এই ম্যাচে সিলেটের রিহাদ ১২২ রান করেন, আর ঢাকার আশিকুর রহমান অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ড্র হয়।
