Published on
:
2 min read
এই সময়: ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে বিএ–এলএলবি প্রথম সেমেস্টারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় বেআইনি ভাবে ফি আদায়ের অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত–সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত ১৪টি কলেজ রয়েছে অভিযুক্তের তালিকায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ল’অ্যাডমিশন কমিটির জয়েন্ট কনভেনর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন, বিভিন্ন কলেজ ও প্রতিষ্ঠান ভর্তির রেসিড্যুয়াল অ্যাডমিশন ফি–এর সঙ্গেই প্রথম সেমেস্টারের ফি আগাম আদায় করেছে বলে নজরে এসেছে। নিয়ম ভেঙে নেওয়া এই ফি অবিলম্বে পড়ুয়াদের ফেরত দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
সূত্রের খবর, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পাঁচ বছরের বিএ–এলএলবি কোর্সে ভর্তির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেমেস্টার ফি–এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে কোনও ভাবেই প্রথম সেমেস্টারের ফি আদায় করা যাবে না। কিন্তু বেশ কিছু স্বশাসিত ও অনুমোদিত কলেজ এই নির্দেশ অমান্য করেই পড়ুয়াদের কাছ থেকে বেআইনি ভাবে ফি সংগ্রহ করেছে বলেছে অভিযোগ। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতর মনে করে সঙ্গে বিচার করে ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যর উপস্থিতিতে ল অ্যাডমিশন কমিটির সদস্যরা জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তিনটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর পরই ১৪ অক্টোবরের গাইডলাইনে বলা হয়েছে, যে সব কলেজ বা ইনস্টিটিউট প্রথম সেমেস্টারের ফি বেআইনি ভাবে সংগ্রহ করেছে, তাদের সেই অর্থের সম্পূর্ণ অংশ অবিলম্বে পড়ুয়াদের ফেরত দিতে হবে।
অভিভাবক ও আবেদনকারী পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শ, সেমেস্টার ফি মেটানোর অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি না দেওয়া পর্যন্ত কেউ যেন প্রথম সেমেস্টারের ফি জমা না দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ না মেনে ইতিমধ্যে টাকা নেওয়া হয়ে থাকলে অবিলম্বে পড়ুয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট কলেজ যেন তা ফেরত দেয়। ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরেই যেন তাঁরা নির্দিষ্ট সেমেস্টার ফি কলেজে–কলেজে জমা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ল অ্যাডমিশন কমিটির জয়েন্ট কনভেনরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্যকারী কলেজগুলির বিরুদ্ধে আগামী দিনে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
