কক্সবাজারের রামুতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৩৭টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি প্রতিমা পূজার মণ্ডপ এবং ১৪টি ঘট পূজার মণ্ডপ।
পূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের ২১টি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি এসআরবি ও আনসার ভিডিপিসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছেন।
এদিকে মহাসপ্তমীতে উপজেলার কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি সংখ্যা কম থাকলেও মহাঅষ্টমী এবং নবমীতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া পূজাকে ঘিরে মণ্ডপগুলোতে চলছে ভক্তদের আরাধনা।
রামু পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বদীপ শর্মা বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। রামুর ৩৭টি পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, প্রতিটি মণ্ডপে পূজারিরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন। এ জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয়দের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ফতেখাঁরকুল পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যসচিব সৌমিক চৌধুরী প্রাচীর বলেন, দুর্গাপূজা আমাদের শুধুই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আনন্দ ও সম্প্রীতিরও উৎসব। আমরা চাই, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে পূজা আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হোক।
রামু উপজেলা বিএনপি নেতা ডা. মোহাম্মদুল হক জনি বলেন, রামুতে দীর্ঘদিন ধরে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ সহাবস্থানে বসবাস করে আসছেন। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোথাও যেন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
রামু থানার ওসি একে ফজলুল হক বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের ২১টি মোবাইল টিম ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। পাশাপাশি আনসার ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ উসকানিমূলক পোস্ট করছে কি না সেদিকেও নজরদারি রাখা হচ্ছে।
