কুড়িগ্রামে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ৮৩৬ নারীর মধ্যে শাড়ি বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হরিজন, রবিদাস ও বেদে সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন এ সহায়তা শাড়ি প্রদান করেছে বলে জানা গেছে।
কুড়িগ্রামে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে ৫৬৭টি মণ্ডপে নির্বিঘ্নে পূজা পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়াও জেলা পুলিশ প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা নিয়নত্রন বাহীনির সদস্যরা কঠোর নজরদারি করছেন বলে জানা গেছে।
রোববার সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে এই শাড়ি তুলে দেন। সদর উপজেলায় প্রথম দফায় ১৪৫ জন নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন এক উৎসব। পূজার আনন্দ যেন সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং হরিজন, রবিদাস ও বেদে সম্প্রদায়ের মতো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষজন যেন এই উৎসবের অংশীদার হতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছেও এ ধরনের সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির আওতায় কুড়িগ্রাম জেলার মোট ৯টি উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ৮৩৬ জন নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হচ্ছে।
শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজির হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
