ভোটার তালিকা।ছবি: X
Published on
:
2 min read
ভোটারের নাম ‘রাম নে যাদব কো মারা’, বাবার নামের জায়গায় লেখা মূর্খচন্দ যাদব। কোনও ভোটারের আবার নাম ‘রাম নে শর্মা কো মারা’। বাবার নাম ‘বি.কম’। শুনে মনে হবে, কেউ বোধহয় মজা করছে। কিন্তু একেবারেই তেমনটা নয়। বরং বিষয়টি যথেষ্ট গুরুতর। কারণ, এই নামগুলি রয়েছে ভোটার তালিকায়। ভোটার তালিকা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে নানা প্রশ্ন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। এরই মধ্যে চোখ কপালে ওঠার মতো ঘটনা উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদ নির্বাচনে এলাহাবাদ-ঝাঁসি খণ্ড স্নাতক কেন্দ্রে। CEO উত্তরপ্রদেশের এক্স হ্যান্ডলে এ নিয়ে একটি পোস্টও করা হয়েছে। তারা মেনে নিয়েছে এই ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দানা বেঁধেছে বিতর্ক। NDTV-র খবর অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন মেনেও নিয়েছে কমপক্ষে ১৫৮টি নাম তালিকাভুক্ত করার ক্ষেত্রে এ রকম ভুল হয়েছে। কেন এমনটা হলো, তা নিয়ে মুখও খুলেছে তারা।
এক নজরে
উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদ নির্বাচনে এলাহাবাদ-ঝাঁসি স্নাতক কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় ‘রাম নে যাদব কো মারা’ ও ‘বি.কম’-এর মতো তথ্যভিত্তিক অদ্ভুত ও ভুল নাম সামনে এসেছে।
ইংরেজি নাম হিন্দিতে রূপান্তর করার সময়ে software-এর আক্ষরিক অনুবাদের (যেমন ‘Ram hit Yadav’-কে ‘রাম নে যাদব কো মারা’ করা) কারণেই এই ত্রুটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে সিইও অফিস।
সফ্টওয়্যারের ত্রুটি ছাড়াও চূড়ান্ত তালিকা সঠিক ভাবে যাচাই না করায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের চরম গাফিলতি রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ভোটার তালিকার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়ে দায়িত্বে থাকা ডিভিশনাল কমিশনার (ERO) ও জেলাশাসকের (AERO) কাছ থেকে প্রশাসনিক ভাবে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন দপ্তরের পক্ষ থেকে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে এই ভুলের কারণে একজন ভোটারও কোনও ধরনের সমস্যায় না পড়েন।
উত্তরপ্রদেশের CEO অফিস সূত্রে খবর, সফ্টওয়্যার ট্রান্সলেশনের সময়ে ‘এরর’ হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ইংরেজিতে লেখা নাম হিন্দিতে কনভার্ট করার সময়ে প্রযুক্তিগত ত্রুটি ঘটে। ইংরেজি শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ করার কারণে এই ভয়ঙ্কর সব নাম বেরিয়ে আসে!
उत्तर प्रदेश में विधान परिषद के चुनाव की मतदाता सूची में नाम जुड़वाने के लिए पहली बार ऑनलाइन रजिस्ट्रेशन की सुविधा दी गई है । किसी भी कार्य को पहली बार करने में ग़लतियाँ होने की संभावना रहती है। मतदाता सूची 14,81,310 प्रविष्टियों में से कुल 158 ऐसी प्रविष्टियाँ हैं जिनमें मतदाताओ अथवा उनके संबंधियों के नाम अजीब प्रतीत हो रहे हैं। इन नामों का अजीबोगरीब होना इसी प्रकार की एक गलती है। सॉफ़्टवेयर द्वारा अंग्रेज़ी में टाइप किए गए नामों को हिंदी में ट्रांसलिटरेट करना था परंतु संभवत किसी त्रुटि की वजह से ट्रांसलेट कर दिया। उदाहरण के तौर पर किसी मतदाता का नाम रामहित यादव है तो उसको अंग्रेज़ी में टाइप करने समय यदि त्रुटिवश Ramhit Yadav के स्थान पर Ram hit Yadav टाइप कर दिया तो सॉफ्टवेयर द्वारा इसे ‘राम ने यादव को मारा’ ट्रांसलेट कर दिया। इस प्रकार उत्पन्न हुई ग़लतियाँ को एडिट कर सुधार करने की व्यवस्था थी परंतु जहाँ लोग सावधान नहीं रहे उस जगह इस प्रकार की ग़लतियाँ बनी रही। पिता के स्थान पर B Com टाइप करना मानवीय भूल अथवा लापरवाही है।मंडलायुक्त इस मतदाता सूची में निर्वाचन रजिस्ट्रेशन अधिकारी (ERO) हैं तथा संबंधित जिले के जिला अधिकारी AERO हैं । मतदाता सूची को सभी ग़लतियों से मुक्त रखना इनकी ज़िम्मेदारी है। उनसे इस संबंध में स्पष्टीकरण मांगा गया है। मतदाताओ को इस गलती की वजह से कोई परेशानी न हो इसके निर्देश जिला अधिकारियों को दे दिए गए हैं । @ECISVEEP
— CEO Uttar Pradesh (@ceoup) October 22, 2026
যেমন, কারও নাম রামহিত যাদব। তা ইংরেজিতে টাইপ করা হয়েছিল Ram hit Yadav। সেই বানান সফ্টওয়্যারে ফেলে কনভার্ট করতে গিয়ে হয়ে গিয়েছে রাম নে যাদব কো মারা (যে হেতু ইংরেজি ছিল রাম হিট যাদব)। ‘হিত’ থেকে ‘হিট’ হয়ে তা ‘মারধর’-এর পর্যায়ে চলে গিয়েছে! একই ভুল বহু নামের ক্ষেত্রেই হয়েছে।
কিন্তু সেই ভুল তো ‘বি.কম’-এর ক্ষেত্রে হওয়ার কথা নয়। এই ঘটনাকে কর্মীদের গাফিলতি বলেই মনে করা হচ্ছে। ডিভিশনাল কমিশনার ও জেলাশাসকের কাছ থেকে জবাবও চাওয়া হয়েছে বলে খবর। কারণ, সফ্টওয়্যার এরর হলেও দায়িত্বপ্রাপ্তরা কী করছিলেন? কেন তাঁরা চূড়ান্ত তালিকা খতিয়ে দেখবেন না? সে প্রশ্নও উঠেছে।
ডিভিশনাল কমিশনার এ ক্ষেত্রে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের (ERO) ভূমিকা পালন করেন এবং জেলাশাসক হন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা AERO। তাঁদেরই দায়িত্ব থাকে, ভোটার তালিকা যাতে নির্ভুল ও ত্রুটিমুক্ত হয়, তা দেখা। তাই তাঁদের কাছে এই ঘটনা নিয়ে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের CEO অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, জেলাশাসককে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, একজন ভোটারও যেন কোনও সমস্যায় না পড়েন।
FAQs
প্রশ্ন: উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদ নির্বাচনে ভোটার তালিকায় কী ধরনের অদ্ভুত ভুল ধরা পড়েছে?
উত্তর: এলাহাবাদ-ঝাঁসি স্নাতক কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় ‘রাম নে যাদব কো মারা’ কিংবা বাবার নামের জায়গায় ‘বি.কম’-এর মতো অবিশ্বাস্য ও বিচিত্র নাম নথিভুক্ত হয়েছে।
প্রশ্ন: ভোটার তালিকায় এই ধরনের ভুল নাম কীভাবে চলে এল?
উত্তর: উত্তরপ্রদেশ সিইও অফিসের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের সময় ইংরেজি থেকে হিন্দিতে সফ্টওয়্যার দিয়ে আক্ষরিক অনুবাদ (Translation Error) করার ফলেই এই প্রযুক্তিগত ত্রুটি ঘটেছে।
প্রশ্ন: এই ঘটনায় প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
উত্তর: ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল কমিশনার ও জেলাশাসকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে এবং কোনও ভোটার যাতে সমস্যায় না পড়েন তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।