বোনের বিয়ের দাওয়াত, গাছের সুপারি পাড়া ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জ, ঝিনাইদহ ও পটুয়াখালীতে পৃথক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গাইবান্ধা ও শেরপুরে খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক অজ্ঞাত নারী ও এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার লাশ। গতকাল শনিবার দিনভর এসব মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
সুনামগঞ্জ : জগন্নাথপুর পৌরসভার লুদরপুরে বোনের বিয়ের দাওয়াত দেওয়াকে কেন্দ্র করে চাচাত ভাইদের সুলফির আঘাতে নাজিম উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের ওলিমার দাওয়াত দিতে গেলে চাচাত ভাই মাসুম ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নাজিমের বুকে আঘাত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পটুয়াখালী : কলাপাড়ায় নিখোঁজের ৫০ ঘণ্টা পর ১০ মাসের শিশু রায়হানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামের বাড়িসংলগ্ন খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির আপন খালু আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঝিনাইদহ : শৈলকুপার ব্রহ্মপুর গ্রামে গাছের সুপারি পাড়াকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই রবিউল খাঁর লাঠির আঘাতে বড় ভাই মজিবুল খাঁ (৫০) নিহত হয়েছেন। দুই পরিবারের ঝগড়ার একপর্যায়ে লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউলের স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
গাইবান্ধা : সাদুল্লাপুরে একটি ব্রিজের নিচ থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী অজ্ঞাত এক নারীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
শেরপুর : নালিতাবাড়ীর সুতিয়ারপাড় খালের পানি থেকে হায়াতুন্নেসা (৫৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাগুলোতে সংশ্লিষ্ট থানাসমূহে মামলার প্রস্তুতি ও আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
