শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২টার দিকে ফেসবুকে একটি পোস্ট, আর তাতেই ছাত্রদলের অন্দরে নতুন করে উঠল প্রশ্ন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ তুলে আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছেন ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের অবদান যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাঁর।
পোস্টে মিল্লাদ লেখেন, বিগত ১৭ বছরে ঢাকার অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ঢাকা কলেজেরও আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। এ সময় কলেজের শিক্ষার্থীরাও হামলা, মামলা, জেল ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ১৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পর শহরে আন্দোলন সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছেন তাঁরা। ঢাকাকে চার ভাগে ভাগ করলে একটি বৃহৎ অঞ্চলের আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিল ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের হাতে।
নিজের আহত হওয়ার কথাও তুলে ধরেন মিল্লাদ। তাঁর ভাষ্য, ১৯ জুলাই ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সামনেই তিনি গুলিবিদ্ধ হন। গুলি বুকের বাঁ পাশ দিয়ে ঢুকে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। সেই ঘটনার পর থেকে আজও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি তিনি।
তাঁর অভিযোগ, ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বারবার একটি নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দকে প্রধানমন্ত্রীর সামনে যাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন, অথচ ঢাকা কলেজের নেতাকর্মীরা সেই সুযোগ পাচ্ছেন না। একে অবিচার উল্লেখ করে পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, 'আমাদের প্রতি করা অবিচারের বিচার আল্লাহ করবেন।'
একজন গুলিবিদ্ধ নেতার এই প্রকাশ্য আক্ষেপ সংগঠনের ভেতরের টানাপোড়েনকে সামনে এনেছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কী জবাব দেন, সেদিকেই এখন তাকিয়ে নেতাকর্মীরা।
