Published on
:
1 min read
কলেজের পঠনপাঠন তখন শেষ হয়েছে। পড়ুয়ারা একে একে বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছেন। মঙ্গলবার ঘড়িতে তখন সন্ধ্যা ৬.১৫। কলেজের কর্মী ভাস্কর রায় গ্যারাজে নিজের দু’চাকা গাড়ি আনার জন্য গিয়েছেন। তখনই চোখ পড়তেই বুকের ভিতরটা ছ্যাৎ করে ওঠে। গ্যারাজের এক কোণে ফণা তুলে অপেক্ষায় এক কেউটে। সাপটিকে নিয়ে হইচই পড়ে যায় কলেজে। একটি কন্টেইনারে ভরে রাখা হয় তাকে। বুধবার বন দপ্তরের কর্মীরা সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় কলেজের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ের পিছনে গাড়ির গ্যারাজ রয়েছে। সেই গ্যারেজ থেকেই উদ্ধার করা হয় সাপটিকে। কলেজ কর্মী ভাস্কর রায় জানান, সাপটিকে ধরার জন্য একটি ছোটো কৌটো জোগাড় করা হয়। সেটিতেই সাপটিকে রাখা হয়েছিল। লম্বায় ফুট খানেক। কেউটের বাচ্চা বলেই মনে করা হয়।
বুধবার সকালে বন দপ্তরের লোকজন আসেন। ক্যানিংয়ের মাতলা রেঞ্জ-এ সাপটিকে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কলেজ সূত্রে খবর, বর্ষাকালে মাঝেমধ্যেই কলেজ চত্বরের আশেপাশে সাপ দেখার ঘটনা নতুন নয়। কলেজ চত্বরের ভিতর সাপটিকে দেখতে পাওয়া যাওয়ায় তাকে উদ্ধার করে বন দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বন দপ্তরের তরফে এ দিন কলেজে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। আগামী দিনে সাপ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য একটি সেমিনারের আয়োজন করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
