নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ১৩নং পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ঘটে।
ভুক্তভোগী মজলিশপুর গ্রামের মো. মানিক মিয়ার কন্যা ও মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যাযনরত এবং অভিযুক্ত দিদারুল আলম (বিদ্যুৎ) একই গ্রামের রেজাউল আলম ঢালু'র ছেলে ও অত্র বিদ্যালয়ে দপ্তরির হিসেবে কর্মরত।
সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী কেঁদে কেঁদে বিদ্যালয় থেকে দৌড়ে বের হওয়ার সময় স্থানীয়রা কান্নার কারণ জানতে চাইলে ভুক্তভোগী তাঁদের জানায়, বিদ্যালয়ের দপ্তরি তাকে জাপটে ধরে অনৈতিক কাজ করার জন্য টানাহেঁচড়া শুরু করলে জোরজবরদস্তি করে ওই ছাত্রী কোনমতে ছুটে দৌড়ে বের হয়ে আসে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ.শফিকুল ইসলাম শফিক (দিলু মাষ্টার) বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা আমরা শুনেছি। তবে আমরা ঘটনাটি জানা মাত্রই বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে বিষয়টি শুক্রবার সালিশির মাধ্যমে মিমাংসার দিন ধার্য করা হয়েছে। আপাতত সংবাদ প্রকাশের কোন প্রয়োজন নেই।
ভুক্তভোগী ছাত্রী এবং অভিযুক্ত দপ্তরির বাড়িতে গিয়ে কাউকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে, অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
