আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে তাসকিন আহমেদের গতিতে দারুণ শুরুর পরও ব্যাটারদের চরম দায়িত্বে অবহেলা ও কোনো বড় জুটি না গড়তে পারার খেসারত দিতে হলো বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ব্যাটারদের ভুল ও ব্যর্থতাকেই হারের মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।
ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারের উদ্বোধনী জুটিতে ৪৭ রান উঠেছিল। কিন্তু এটিই ছিল বাংলাদেশের ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটি। এরপর ব্যাটারদের আসার-যাওয়ার মিছিলে মাত্র ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় লাল-সবুজরা।
ম্যাচ শেষে ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘সত্যি বলতে, আজকে যেরকম পিচ ছিল, আমরাও তো বল করেছি, একটু এদিক-ওদিক হলেই কিন্তু পানিশড হচ্ছিলাম। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে অন্তত ২৭০ অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। ওদের কন্ডিশনে ওরা অস্ট্রেলিয়াকেও কঠিন সময়ের ভেতর দিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এই কন্ডিশনে আমাদের আসলে তাড়া করা উচিত ছিল। আমরা আসলেই ভালো খেলিনি।’
অভিজ্ঞ এই বোলার আরও মনে করেন, অন্তত একটি ভালো জুটি তৈরি হলেই ম্যাচের গতিপথ বদলে যেতে পারত। তার ভাষায়, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমরা একটাও জুটি গড়তে পারিনি। একটা জুটি হলেই খেলাটা বের হয়ে যেতো। আমাদের ব্যাটিংয়ে প্রায়ই ভুল হয়ে থাকে। বোলিংয়ে অবশ্য ধারাবাহিকতা আগের চেয়ে বেড়েছে। আসলে ব্যাটসম্যানদের (আজ) জেতানো উচিত ছিল, কিন্তু পারে নাই।’
এর আগে ম্যাচের শুরুতে তাসকিনের তোপেই ২৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। তবে সেখান থেকে ক্রেইগ আরভিনের ৯৩ ও ব্রেন্ডন টেলরের ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে ৫০ ওভারে ২৭১ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা।
পরাজয় দিয়ে সিরিজ শুরু করলেও এখনই সব শেষ দেখছেন না তাসকিন। আগামী ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালের সমীকরণ মেলাতে চান তিনি। তাসকিন বলেন, ‘এখনো একটা ম্যাচ বাকি আছে। আমরা চাইবো যে ভালোভাবে লড়াই করে ফিরে এসে যেন ফাইনাল খেলতে পারি।’
