পরিবেশ রক্ষায় আলোকচিত্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ডিসি ফরিদা খানম
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় পরিবেশবিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘ওয়েভস অব লাইফ’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ফরিদা খানম বলেন, একটি ছবি প্রকৃতির সৌন্দর্যের পাশাপাশি পরিবেশদূষণের বাস্তব চিত্রও মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারে। দীর্ঘ বক্তব্যের চেয়ে একটি ছবি অনেক সময় মানুষের চিন্তা ও বিবেককে দ্রুত নাড়া দেয়। তাই আলোকচিত্র ধারণ ও উপস্থাপনে সত্যনিষ্ঠা, যথাযথ প্রেক্ষাপট ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখা জরুরি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে নদ-নদী, জলাভূমি, বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব সম্পদ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু প্লাস্টিক ও বর্জ্যদূষণ, অপরিকল্পিত সম্পদ আহরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এসব প্রাকৃতিক প্রতিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে।
পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগাতে হবে। শুধু সমস্যার চিত্র তুলে ধরলেই হবে না, সমাধানের পথ খুঁজে তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; রাষ্ট্র, সমাজ ও প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলা, নদী ও জলাশয়ের দূষণ রোধ এবং বৃক্ষরোপণে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ঢাকা জেলা প্রশাসনও পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজায়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে ফরিদা খানম বলেন, এ ধরনের আয়োজন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত অঙ্গীকার গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে। উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদী ও সমুদ্রদূষণ রোধ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, ইয়ুথ ফর ওশান ও মিশন গ্রিন বাংলাদেশ আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগে মোট নয়জন আলোকচিত্রীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। বিভাগগুলো হলো সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, জলজ জীবন-জীবিকা ও উপকূলীয় দূষণ এবং জ্বালানি ও পরিবেশ।
তপন/এএফ
আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছালেন সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকেরা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাঙামাটির সাজেকে সশস্ত্র ইউপিডিএফের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনায় নিরাপত্তাঝুঁকিতে পড়েন সেখানে বেড়াতে যাওয়া প্রায় ৩ হাজার পর্যটক। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাঙামাটি জেলার সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউপিডিএফ স্থানীয় জনগণকে জোরপূর্বক মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সড়ক অবরোধ এবং পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ করে।
এ ঘটনায় সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাজেকে ভ্রমণরত প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলাকালে সকাল আনুমানিক ১০টায় গঙ্গারাম বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল দল পর্যটকদের নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়।
আলোচনা চলাকালে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে ইউপিডিএফের প্ররোচনায় অবরোধকারীরা আকস্মিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জের মাধ্যমে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং পুনরায় পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচলের ব্যবস্থা নেয়।
পরবর্তীতে সকাল আনুমানিক ১১টায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০-৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
এ সময় সেনাবাহিনীর টহল দল আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এসএন/
আরও পড়ুন
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১২
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস।
-->দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫১২ জন।
এ নিয়ে চলতি বছরে সারাদেশে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৫০২ জনে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকার এবং দুজন ময়মনসিংহ শহরের বাসিন্দা।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের ২৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৯৪ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশন ছাড়া) ২৫০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪৬ জন, খুলনা বিভাগের ২০৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৬০ জন, রাজশাহী বিভাগের ১৬২ জন, রংপুর বিভাগের ৪৪ জন এবং সিলেট বিভাগের আটজন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৬৮ জন। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ১২ হাজার ১১১ জন।
এএফ/
আরও পড়ুন
হাম উপসর্গে দুইজনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১০৩১
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
খবরের কাগজ গ্রাফিকস।
-->গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে হাম উপসর্গ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১ জন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩২ জন রোগী এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৯৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা দুই লক্ষ ১৭ হাজার ৭৬০ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৪০৫ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, সিলেটে ১২৫ জন, চট্টগ্রামে ২০০ জন, বরিশালে ৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৬৫ জন, খুলনায় ৮১ জন এবং রংপুরে ৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ২৪৮ জন।
এএফ/
আরও পড়ুন
লালমনিরহাটে তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ত্রাণমন্ত্রীর
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->লালমনিরহাটে ‘বিশুদ্ধ পরিবেশ গড়ব, পৃথিবী সবুজে সাজাব’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জেলাব্যাপী লক্ষাধিক তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার চাঁদনী বাজারসংলগ্ন ডিসি পার্কে নিজ হাতে তালবীজ রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
সবুজ সেবা যুব বিজ্ঞান সংঘের আয়োজনে জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বজ্রপাতের ঝুঁকি কমানো এবং সবুজায়ন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন দুর্যোগ ও নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের প্রবণতা ও প্রাণহানি বেড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একসময় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটত। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে সেই প্রাণহানি অনেকটাই শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান। উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, সবুজ সেবা যুব বিজ্ঞান সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মো. খাইরুল ইসলাম, সংগঠনটির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ এন্তাজুর রহমান, প্রধান শিক্ষক একরামুল হক সরকার, প্রভাষক হারুন উর রশিদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম লিটন, ইউসুফ আহমেদ রোকন, আজহারুল ইসলাম, রমজান আলী মুরাদসহ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে সবুজ সেবা যুব বিজ্ঞান সংঘ। এর আগে সংগঠনটি লালমনিরহাটের তিস্তা থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত রেলপথের দুই পাশে প্রায় ৪০ হাজার তালবীজ রোপণ করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশবিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার আয়োজন করে আসছে সংগঠনটি।
জেলাব্যাপী লক্ষাধিক তালবীজ রোপণের এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।
এমআই বকুল/অলি/
