চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) পণ্য খালাস ও জাহাজে তোলার কাজে নতুন রেকর্ড গড়েছে পরিচালন প্রতিষ্ঠান আরএসজিটি বাংলাদেশ। শিপিং লাইন সিএমএ সিজিএমের জাহাজ ‘এমভি আমুরো’ পরিচালনাকালে মাত্র ২১ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫২৪টি কনটেইনার খালাস ও বোঝাই করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব কনটেইনারের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৫৭১ টিইইউ।
বন্দর ও টার্মিনাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর জাহাজটির পরিচালন কার্যক্রমে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড অর্জন করে আরএসজিটি বাংলাদেশ। টার্মিনালটিতে শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন চালুর পর এটিই সর্বোচ্চ উৎপাদনশীলতার নতুন মাইলফলক।
এর আগে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ঘণ্টায় ৫৮ মুভ ও ৮২ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড গড়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। সেই তুলনায় মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ঘণ্টাপ্রতি কনটেইনার ব্যবস্থাপনার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এমভি আমুরো পরিচালনাকালে আরএসজিটি বাংলাদেশের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছে জাহাজটির পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক শিপিং প্রতিষ্ঠান সিএমএ সিজিএম কর্তৃপক্ষ। নতুন এই অর্জনের মধ্য দিয়ে পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের কনটেইনার টার্মিনাল সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক কনটেইনার টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে কাজ করছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় বন্দর অবকাঠামোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৈশ্বিক শিপিং লাইন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে কাজ করছে।
নতুন এই অর্জন প্রসঙ্গে আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা (সিওও) নাবিল ইউসুফ বলেন, আমাদের প্রতি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের আস্থা ও বিশ্বাসকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করি। পরিচালন দক্ষতার নতুন মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা, সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মান বজায় রাখা এবং বন্দরের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, সেখানে আমরা অবিচল। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক মেরিটাইম শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
