আজকাল ওয়েবডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে রান আউট হওয়ার পর তিলক ভার্মাকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ভারতের প্রাক্তন ওপেনার সদগোপন রমেশ। তাঁর মতে, পরিস্থিতি সম্পর্কে সামান্য সচেতন থাকলেই এই অপ্রত্যাশিত রান আউট এড়াতে পারতেন ভারতীয় ব্যাটার। তিলকের মানসিকতা নিয়ে কটাক্ষ করে রমেশ বলেন, ওকে দেখে মনে হচ্ছিল, যেন সমুদ্রসৈকতে হাঁটছে।
ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ১৭-তম ওভারের চতুর্থ বলে। মোতির ফুলটস বল স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারির দিকে পাঠান অক্ষর প্যাটেল। ক্যামিল পুরান ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটিকে থামান। কিন্তু অক্ষর ও তিলক দু’জনেই ভেবেছিলেন, বলটি বাউন্ডারি ছুঁয়ে ফেলেছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই প্রান্তের উইকেট ভেঙে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিল্ডাররা। অক্ষর সময়মতো ক্রিজে পৌঁছে গেলেও নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা তিলক কার্যত পরিস্থিতি সম্পর্কে উদাসীন ছিলেন। ফলে রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাঁকে।
বিষয়টি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠানো হলে তিলককে আউট ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনা নিয়ে নিজের ইনস্টাগ্রাম চ্যানেলে সরব হন ভারতের প্রাক্তন ওপেনার সদগোপন রমেশ।
তিনি বলেন, “আম্পায়াররা যখন বাউন্ডারি থেকে দূরত্বের কারণে বিষয়টি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠাচ্ছেন, তখন একই দূরত্বে থাকা তিলক ভার্মা ও অক্ষর প্যাটেল কীভাবে ধরে নিলেন যে বলটি বাউন্ডারি হয়ে গিয়েছে? অন্তত অক্ষর পরে পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছিল। কিন্তু তিলককে দেখে মনে হচ্ছিল, ও যেন সমুদ্রসৈকতে হাঁটছে। আশপাশে কী ঘটছে, সে সম্পর্কে ওর কোনও ধারণাই ছিল না।”
রমেশ আরও ব্যাখ্যা করেন, বাউন্ডারি লাইনে কোনও ফিল্ডার বল আটকালে আম্পায়াররা সাধারণত নিশ্চিত হওয়ার জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নেন। কারণ, উইকেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা আম্পায়ারের পক্ষে এত দূর থেকে ফিল্ডারের পা বা শরীর বাউন্ডারি ছুঁয়েছে কি না, তা বোঝা কঠিন। তাই সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বলকে খেলার মধ্যেই রয়েছে বলে ধরে নেওয়া উচিত। তাঁর মতে, এই সাধারণ বিষয়টি মাথায় রাখলেই তিলক এমন ভুল এড়াতে পারতেন।
তবে তিলকের রান আউট সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ১৪ রানে ম্যাচ জিতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ২২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান তোলে।
