The Sangbad · সাধারণ
কিশোর গ্যাং ও মাদক দমনে গঠিত হবে বিশেষ কমিটি: আইজিপি
২০/১০/২০২৬

কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও মাদকের বিস্তার রোধে প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) যৌথ নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জ নগরীর মিশনপাড়া এলাকার রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।আইজিপি বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে নাগরিকদেরও আইন মেনে চলতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। অপরাধীদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের এলাকার খারাপ মানুষগুলো সম্পর্কে পুলিশের চেয়ে আপনারাই ভালো জানেন। আমাদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।’পুলিশ বাহিনীর বর্তমান কার্যক্রম প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, গত জুলাই অভ্যুত্থানের ৫ তারিখের পর পুলিশ সদস্যরা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে একধরনের ভীতি কাজ করত। তবে সেই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে পুলিশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ নাগরিকরা যেন নির্বিঘ্নে বসবাস ও চলাচল করতে পারেন, সে জন্য পুলিশের মনোবল, সক্ষমতা এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির কাজ নিরলসভাবে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। তবে একটি কুচক্রী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনসহ পূজার বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।এ সময় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত জেলা সিআইডির পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।/
মূল প্রতিবেদনে যান ↗