খুঁটি জেলার পুলিশছবি:এক্স
Published on
:
2 min read
স্কুলে ঢুকে চুরির অভিযোগ উঠল নাবালকদের বিরুদ্ধে। যাদের বিরুদ্ধে এই চুরির অভিযোগ উঠেছে তারা সকলেই ওই স্কুলেরই প্রাক্তন পড়ুয়া। শুধুমাত্র টাকা চুরি করাই নয়, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আক্রমণ করার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধান শিক্ষক। ঝাড়খণ্ডের খুঁটি জেলার ঘটনায় তিন নাবালককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই চুরির ঘটনা ঘটেছে খুঁটি (Khunti) আরসি বয়েজ মিডল স্কুলে। অভিযোগ, খুনের চেষ্টা করা হয় সেন্ট মাইকেল চার্চের সঙ্গে যুক্ত ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফাদার বেনেডিক্ট বার্লাকে (Benedict Barla)-কে। যারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তারা সকলেই ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, একটি মেলায় যাওয়ার জন্য টাকা চুরি করতে স্কুলে ঢুকেছিল চার জন প্রাক্তন ছাত্র। এই ঘটনায় তিন জনকে আটক করার পরে চতুর্থ জনের খোঁজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২০ অক্টোবর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ওই স্কুলে চুরি করার জন্য ঢুকেছিল চার জন। সেই সময়েই স্কুলে চলে আসেন প্রধানশিক্ষক। হঠাৎ করেই এসেছিলেন তিনি। তাঁকে দেখেই কিছুটা অবাক হয়ে যায় ওই চার জন। তখনই ছোট একটি লোহার জিনিস দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে এক নাবালক। ফাদার বেনেডিক্ট বার্লা অচেতন হয়ে পড়ার পরেই স্কুলে থাকা টাকা চুরি করে পালিয়ে যায় তারা। পরের দিন সকালে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় রাঁচির হাসপাতালে।
পুলিশের দাবি, ওই তিন জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ৮৫ হাজার ৭৪৭ টাকা। এ ছাড়াও চুরির টাকা দিয়ে মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য জিনিসও কিনেছিল তারা। সেগুলিও উদ্ধার হয়েছে।
प्रेस विज्ञप्ति खूँटी पुलिस ======= दिनांक 20.10.2026 की रात्रि में आर०सी० बालक मध्य विद्यालय,खूँटी के प्रधानाध्यापक फादर बेनेडिक्ट बारला के साथ अज्ञात अपराधकर्मियों द्वारा धारदार हथियार से मारपीट कर गंभीर रूप से जख्मी करने एवं विद्यालय में चोरी की घटना कारित की गई थी।..(1/6) https://t.co/Y0qg6dSykR
— Khunti Police (@khuntipolice) October 23, 2026
খুঁটির পুলিশ সুপার ঋষভ গর্গ জানিয়েছেন, স্কুলে চুরির ঘটনা জানার পরেই অভিযুক্তদের ধরার জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করা হয়। সিট-এর সদস্যরাই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং অন্যান্য প্রমাণ ও তথ্যের ভিত্তিতে এই চুরির কিনারা করেছে। যাদের ধরা হয়েছে, তাদের বয়স ১৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। তারা ওই স্কুলের হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে সপ্তম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছিল। ওই ঘটনায় জড়িত চতুর্থ জনের খোঁজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
