পাকিস্তানের পূর্ণকালীন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম সিরিজেই ইতিহাস গড়লেন সাহিবজাদা ফারহান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা দেখিয়ে বিশ্বরেকর্ড নিজেদের দখলে নিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। সিরিজের তিন ম্যাচেই পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে এই ওপেনার পেছনে ফেলেছেন ভারতের তারকা ব্যাটার অভিষেক শর্মাকে।
ঘরের মাঠের সিরিজে ৭৯.৩৩ গড় ও ১৬৫.২৭ স্ট্রাইক রেটে ২৩৮ রান করেছেন ৩০ বছর বয়সী ফারহান। এর আগে তিন ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি ছিল অভিষেকের দখলে। চলতি বছর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ঘরের মাঠের সিরিজে ৭৬.৩৩ গড়ে ২২৯ রান করে এই রেকর্ডের শীর্ষে ছিলেন এই মারকুটে ওপেনার।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ফারহান খেলেন ৫৩ বলে ৮৯ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস। ১০টি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসে ভর করে ১৮৩ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে যায় পাকিস্তান। ম্যাচটি তারা জেতে ৪ উইকেটে।
দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন ফারহান। মাত্র ৪৪ বলে করেন ৭৩ রান। তার ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৫ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ৭ উইকেটে ১৩৩ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। তাতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে স্বাগতিকেরা।
শেষ ম্যাচেও ফারহানের ব্যাটে আসে ৪৭ বলে ৭৬ রান। তার ইনিংসে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬৮ রান করে স্বাগতিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত ফারহানের লড়াই কাজে আসেনি। ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে লঙ্কানরা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সিরিজসেরার পুরস্কারও জিতেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক।
এক নজরে তিন ম্যাচের দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টিতে সিরিজে সর্বোচ্চ রান
সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান) – ২৩৮ রান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২০২৬
অভিষেক শর্মা (ভারত) – ২২৯ রান, আফগানিস্তানের বিপক্ষে, ২০২৬
কলিন মানরো (নিউজিল্যান্ড) – ২২৩ রান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, ২০১৭-১৮
ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া) – ২১৭ রান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২০১৯
